ছাদ থেকে পড়ে ক্যাফে মালিকের মৃত্যু লখনউয়ের, লিভ ইন সঙ্গীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ মায়ের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


লখনউয়ে চারতলা বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হল ২৭ বছরের ব্যবসায়ী শিবা শর্মার। মৃত যুবক একটি ক্যাফের মালিক। শুক্রবার রাতে এই মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গোটা ঘটনায় ছেলের লিভ ইন সঙ্গিনী ও তাঁর বোনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছেন শিবার মা। তাঁর অভিযোগ, নির্যাতনের পর খুন করা হয়েছে তাঁর ছেলেকে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মৃতের মা রঞ্জনা শর্মা বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ রশ্মি দুবে নামে এক মহিলা ফোন করে জানান, দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন শিবা। তাঁকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরিবারের লোকজন দ্রুত সেখানে পৌঁছলেও শিবার খোঁজ মেলেনি। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর জানা যায় তাঁকে মেডিক্যাল কলেজের এমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারের দাবি সেখানে তখন দাঁড়িয়ে ছিল শিবার সঙ্গিনী রশ্মির বোন শ্রদ্ধা দুবের গাড়ি চালক দানিশ। পরিবারকে দেখেই গুরুতর জখম শিবা ও অ্যাম্বুলেন্স ফেলে পালিয়ে যায় সে। গাড়ির চালক জানায়, ৩ ঘণ্টা ধরে শিবাকে নিয়ে দুই হাসপাতালে ঘুরে বাড়াচ্ছিলেন তিনি। সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:

মৃতের মা রঞ্জনা শর্মা বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ রশ্মি দুবে নামে এক মহিলা ফোন করে জানান, দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন শিবা। তাঁকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

পরিবারের অভিযোগ, ছেলেকে বন্দি করে প্রথমে অকথ্য অত্যাচার করা হয়েছে, এরপর তাঁকে খুন করা হয়েছে। রঞ্জনার অভিযোগ, শিবার দুই চোখে, চোয়ালে, পাঁজরে ও পায়ে একাধিক আঘাত ছিল। তাঁর নাক-কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। সারা শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা ও আঁচড়ের দাগ ছিল। পরিবারের আরও অভিযোগ, গত চার-পাঁচ মাস ধরে শ্রদ্ধা দুবে শিবাকে হেনস্থা করছিল, মারধর করত এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও বদনামের হুমকি দিত। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ আগে শ্রদ্ধা তাদের দোকানে এসে শিবাকে তার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায় এবং না দিলে ফল ভুগতে হবে বলে শাসায়। তাদের বাড়ি ও দোকানের উপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল বলেও অভিযোগ।

এই ঘটনায় পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, চতুর্থ তলা থেকে পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। শিবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা হয়েছে, নাকি এটি নিছক দুর্ঘটনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক রিপোর্ট ও কল রেকর্ড খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লিভ-ইন পার্টনার ও তাঁর বোনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *