চোরবাগান থেকে ‘শিক্ষা’, আগামী বছর অগ্রিম ব্যবস্থা নেবে রাজ্য, দুর্ঘটনা রুখতে ‘অঙ্গীকার’ মুখ্যমন্ত্রীর

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


প্রথম সপ্তমীর রাতে চোরবাগান সর্বজনীনের পদপিষ্টের দুর্ঘটনা সবার মনে কষ্টের দাগ কেটে গিয়েছে। আগামী বছরে যাতে এই রকম দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য অগ্রিম ব্যবস্থা নেবে রাজ্য। এমনই অঙ্গীকার নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এই বিষয়ে আরও খবর

জানালেন, রাজ্য সরকার শিক্ষা নিয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে যাতে একটিও এই ধরনের ঘটনা না ঘটে তার ব্যবস্থা ২০২৭ সালের পুজোর অনেক আগে থেকেই নেওয়া হবে। বলেন, “আনন্দের মধ্য বেদনা হয়েছে। চোরবাগানে মানুষের ভুলে বেশ কয়েকজনকে হারাতে হয়েছে। তার তদন্ত হবে। ২৫ জনকে সুস্থ করা হয়েছে। মৃত বাংলার ১৮ জনের মধ্যে ১২ জনের বাড়ি গিয়েছি। ২৩-২৪ তারিখের মধ্যে ৬ জনের বাড়ি যাব। মৃত্যুর কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না। তবুও সরকারের কিছু দায়িত্ব থাকে। সে দায়িত্ব পালন করেছি। এই ঘটনা যাতে আর না ঘটে এই অঙ্গীকার নিতে চাই।”

বুধবার রাতে শ্যামপুরের বেলপুকুর কলেজের মাঠে বিজয় সম্মেলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। চোরবাগান দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়ে গত কয়েক বছর আগে শ্যামপুরের অশান্তির কথাও তুলে আনেন তিনি। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারকে বিঁধে বলেন, “যারা মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তুলেছিল তাদের প্রিজন ভ্যানে উঠতে হচ্ছে। যাঁরা দুর্গাঠাকুর যারা ভেঙেছিলেন তাদেরকে মা দুর্গা ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।”

বিজয়ার অনুষ্ঠানে শ্যামপুরের সার্বিক উন্নয়নের কথা বলেন তিনি। তাঁর কথায়, “এখানে ১৪ বেডের একটি প্রাথমিক হেলথ সেন্টার রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেটা ১০০ বেডের করা হবে। আল্টাসনোগ্রাফি, এক্স-রের ব্যবস্থা করা হবে।” নদী বাঁধের ভাঙনের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। বলেন, “এটা সাইক্লোন প্রবণ জোন। তাই নদী বাঁধ ভাঙন রোধের ব্যবস্থা করতে হবে। কাঠের প্রচুর ব্রিজ আছে। সেগুলো পাকা করতে হবে। এখানে বোয়ালিয়ায় বড় ব্রিজের পরিকল্পনা করা হয়েছে।” শ্যামপুরে টুরিজমের সুযোগ আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এখান থেকে রাজ্যে বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগের কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আগামী বছরের ৮ মের মধ্যে ১ লক্ষ যুবক-যুবতীর চাকরি হবে। সেই নিয়োগ হবে স্বচ্ছতার সঙ্গে। পাশাপাশি বিকশিত ভারত ভিবি জিরামজি প্রকল্পে পঞ্চায়েতগুলোকে আরও বেশি কাজ করার আবেদন জানান। তিনি বলেন, “আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিটি পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করুন। এলাকাকে সাজিয়ে তুলুন। ১২৫ দিনের কাজে ৩৭০ রকমের কাজ করা যায়। প্রচুর কাজ করুন।” আরও জানান, আবাস যোজনায় পরের ধাপে ২৫ লক্ষের বাড়ি হবে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *