চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরতে মরিয়া শাকিব, কী বক্তব্য প্রাক্তন সতীর্থ ও বিসিবি কর্তা তামিমের?

চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরতে মরিয়া শাকিব, কী বক্তব্য প্রাক্তন সতীর্থ ও বিসিবি কর্তা তামিমের?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর আর বাংলাদেশে ফেরা হয়নি ক্রিকেটার শাকিব আল হাসানের। আওয়ামি লিগ সরকারের সময় শেখ হাসিনার দলের সাংসদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক আইনি জটিলতা তৈরি হয়। এরপর থেকেই তিনি পরিবার নিয়ে আমেরিকায় থাকছেন।

সম্প্রতি মুম্বইয়ের একটি অনুষ্ঠানে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন শাকিব। সেখানে তিনি বলেন, “আমি আশাবাদী যে বছরের শেষ দিকে সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে। আপাতত ভালো কিছুর প্রত্যাশা করছি। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত- আমাকে বাংলাদেশে ফিরতেই হবে। প্রশ্ন শুধু এটাই যে কত দ্রুত তা ঘটতে পারে।”

আরও পড়ুন:

শাকিব আরও বলেন, “আমি আশাবাদী যে বছরের শেষ দিকে ফিরতে পারব। কীভাবে সেটা ঘটবে জানি না। তবে আমি সত্যিই আশাবাদী।” চলতি বছরের শুরুতে শাকিবকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তখন আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড তার আইনজীবীদের কাছ থেকে মামলার কাগজপত্র সংগ্রহ করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল। সে সময় বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই জাতীয় দলে ফিরতে পারেন শাকিব। তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। শাকিবের দাবি, আগের বোর্ড ফেরানোর আগ্রহ দেখালেও কার্যকরী কোনও উদ্যোগ নেয়নি।

তিনি বলেন, “আগের বোর্ড সত্যিই আমাকে ফেরানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল। কিন্তু মুখে বলা আর সেটাকে বাস্তবায়িত করা- দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। এখনও আমি শুনি যে সবাই আমাকে ফেরাতে চায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল- সত্যিকার অর্থে কেউ তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।” এদিকে বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালও শাকিবের দেশে ফেরার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “শাকিবকে নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, আমাদের আরও দুই সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি ও দুর্জয় ভাইও একই অবস্থায় আছেন। তাদের নিয়েও ভাবা উচিত।”

আগের বোর্ড সত্যিই আমাকে ফেরানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল। কিন্তু মুখে বলা আর সেটাকে বাস্তবায়িত করা- দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। এখনও আমি শুনি যে সবাই আমাকে ফেরাতে চায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল- সত্যিকার অর্থে কেউ তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

তামিম আরও বলেন, “ক্রিকেটীয় যে কোনও সুযোগ-সুবিধার জন্য আমাদের দরজা শাকিবের জন্য সবসময় খোলা। আইনি বিষয়গুলো আমাদের মন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) মহোদয় দেখছেন, তাঁরা নমনীয় হওয়ার কথা বলেছেন। আইনি সমস্যা সমাধান করে তাঁরা ফিরলে আমরা তাদের দুই হাত বাড়িয়ে স্বাগত জানাব।” বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্ট খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর আর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামেননি তিনি। তবে এর আগে একাধিকবার দেশের মাটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *