ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ, ইরানের আরও কাছে মার্কিন রণতরী! ‘হামলা হলে কড়া জবাব’, পালটা তেহরানের

ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ, ইরানের আরও কাছে মার্কিন রণতরী! ‘হামলা হলে কড়া জবাব’, পালটা তেহরানের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


ইরানের আকাশে ক্রমেই ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। মধ্যপ্রচ্যের এই দেশটির আরও কাছে পৌঁছল মার্কিন রণতরী। কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। গত সপ্তাহেই শোনা গিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধবিমান-সহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম নতুন করে বহাল করেছে ওয়াশিংটন। হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। সূত্রের খবর, সেই মার্কিন রণতরী ইরানের অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছেছে। অন্যদিকে, আমেরিকাকে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরানও। সাফ জানানো হয়েছে, কোনও হামলা হলেই তার কড়া জবাব দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:

সোমবার ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নিজের ক্ষমতার উপর বিশ্বাস আছে। অতীতে আমাদের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী।” প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আমেরিকা তার সেন্ট্রাল কমান্ডকে (সেন্টকম) শক্তিশালী করছে। এই নেতৃত্বই মধ্যপ্রাচ্যের অভিযানগুলির তত্ত্বাবধান করে। তারই অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই এবং যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে ইরানের কাছাকাছি নিয়ে আসা হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে তার বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার করেছে আমেরিকা। ফলে বাতাসে অনেকেই বারুদের গন্ধ পাচ্ছেন। আর এহেন পরিস্থিতিতে তারাও যে যে কোনও রকমের জবাব দিতে প্রস্তুত তা বুঝিয়ে দিচ্ছে শক্তিশালী ইরান।

কয়েকদিন আগেই মনে করা হচ্ছিল, যুদ্ধের মেঘ কেটে গিয়েছে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামা আটশোর বেশি বিদ্রোহীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেও তা রদ করেছিল তেহরান। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছিল এবার বোধহয় চূড়ান্ত পদক্ষেপের থেকে সরে আসবে আমেরিকা। এখানেই শেষ নয়। গত বুধবার সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য রাখার সময়ও তিনি বলেছিলেন, আশা করা হচ্ছে, মৃত্যুদণ্ড রদের সিদ্ধান্তটা স্থায়ী হতে চলেছে। ফলে সম্ভবত ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু এবার ফের ঘন হচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। মধ্যপ্রাচ্যে কি সত্যিই হামলা চালাবে আমেরিকা?

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *