গুলতি ছুঁড়ে অভিনব কায়দায় চুরি! মন্ত্রীর পাড়ায় হানা দিতেই জালে বিহারের ৪ দুষ্কৃতী

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


গুলতি ছুঁড়ে নিশ্চিত হতো বাড়িতে লোকজন আছে কি না। তারপর ফাঁকা বাড়িতে চুরি করতো গয়না, টাকা। বিহারের ভাগলপুর থেকে এসে দিব্যি চলছিল। রাজ্যের এক মন্ত্রীর পাশের ৫টি বাড়িতে চুরির পর পুলিশের জালে ৪ দুষ্কৃতী। শনিবার গভীর রাতে বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন গুডশেড রোডে একটি মন্দিরের পাশ থেকে ওই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়েছেন তদন্তকারী অফিসার। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে চুরি করা গয়না ও টাকা উদ্ধার করতে চায় পুলিশ। আর কোথাও চুরি করেছে কি না বা এই চক্রে আর কেউ আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ধৃতরা হল দীপক কুমার (২৫), মিত আদিবাসী (২০), সুরিন্দর পাওয়ার (২৯) ও বিকাশ কারে (২৮)। তাদের সকলেরই বাড়ি বিহারের ভাগলপুর জেলার সুলতানগঞ্জের হনুমানচক থানার দিলগরি ফটকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা ট্রেনে ভাগলপুর থেকে এসে বর্ধমান স্টেশন চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় থাকত। তারপর টোটোয় চেপে বিভিন্ন উপনগরী এলাকায় রেইকি করে ভাগলপুর ফিরে যেত। তারপর আবার এসে চুরি করতো। গত ১৫ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের উল্লাস উপনগরীতে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রর বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় কয়েকটি বাড়িতে চুরি হয়। এক বাড়ি মালিক শক্তিপদ ঘোষ বর্ধমান থানায় অভিযোগ করেন, বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভিতরে ঢুকে সোনার গয়না ও নগদ চুরি করেছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে ও বিভিন্ন সূত্র মারফৎ পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন দুষ্কৃতীরা বর্ধমান স্টেশন থেকে অনাময় হাসপাতাল যাবে বলে টোটোতে ওঠে। উল্লাসের কাছে টোটো থেকে নেমে পড়ে চা খাবে বলে। তারপর পাঁচিল টপকে উপনগরীর ভিতরে ঢোকে। ওই দুষ্কৃতীরা গুলতি ছুঁড়তেও পারদর্শী। গভীর রাতে গুলতি দিয়ে বাড়ির দরজা ও জানালায় আঘাত করত তাঁরা। বাড়ির লাইট জ্বলে উঠলে তারা বুঝতে পারত, ভিতরে লোকজন আছে। আর লাইট না জ্বললে বুঝে যেত, বাড়িতে লোকজন নেই। সেই বাড়িতেই হানা দিত অভিযুক্তরা। হাইড্রোলিক কাটার দিয়ে জানালা বা দরজার গ্রিল কেটে ভিতরে ঢুকে চুরি করত তারা। ধৃতদের কাছ থেকে হাইড্রোলিক কাটার-সহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা চুরির কাজে ব্যবহার করা হতো। ধৃতরা জেরায় চুরির কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *