ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতে না হতেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নানা প্রান্তে হামলার অভিযোগ সামনে আসছে। বিভিন্ন তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল করা হচ্ছে সেই সময় ছবি-ভিডিও। তা নিয়ে জনমানসে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। আর এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু খবর, ভিডিও ভাইরাল করা হচ্ছে। তা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে সমাজমাধ্যমে কড়া বার্তা দিল কলকাতা পুলিশ। যেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কলকাতার পরিস্থিতি একেবারেই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এমনকী সমাজমাধ্যমে যে পুলিশ কড়া নজর রাখছে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বেশ কিছু ভুয়ো খবরের ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে কলকাতা পুলিশ। সেখানে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরেই সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে। অন্য জায়গার ছবি-ভিডিও কলকাতার বলা হচ্ছে। এই সমস্ত কনটেন্টের উপর কলকাতা পুলিশ কড়া নজর রাখছে।’ এমনকী যে বা যারা এই ধরনের পোস্ট ছড়াচ্ছে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফে। অফিসিয়াল সমাজমাধ্যমে কলকাতা পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কলকাতার পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যাচাই না করে কোনও খবর যাতে কেউ বিশ্বাস না করেন সেই আবেদনও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অফিসিয়াল সমাজমাধ্যমে কলকাতা পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কলকাতার পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যাচাই না করে কোনও খবর যাতে কেউ বিশ্বাস না করেন সেই আবেদনও জানানো হয়েছে।
A number of deceptive posts are being circulated on social media by falsely linking unrelated movies and images from different locations to Kolkata after the election outcomes.
Kolkata Police is carefully monitoring such content material. Strict authorized motion is being taken in opposition to these spreading… pic.twitter.com/a6dqboQWiF
— Kolkata Police (@KolkataPolice) May 5, 2026
সোমবার রাজ্যে ভোটপর্ব মিটেছে। ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে বাংলার ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। নিজের গড় ভবানীপুর থেকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হতে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এরপরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কলকাতা তো বটেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে। যদিও হিংসা নিয়ে সতর্ক কমিশন এবং লালবাজার। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
