২০২৪-এর ২৩ জুন। মুম্বইয়ে স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের অধীনে আইনি মতে বিয়ে সেরেছিলেন তারকা দম্পতি। তাঁদের বিয়ে ছিল সেসময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। কেন ইসলাম ধর্মে বিয়ে করলেই সেই প্রশ্নবাণে জর্জরিত হয়েছিলেন শত্রুঘ্ন কন্যা। জাহিরের বিরুদ্ধে উঠেছিল ‘লাভ জেহাদ’-এর মতো অভিযোগও। তবে নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে জাহির-সোনাক্ষী তাঁদের সুখী দাম্পত্যের সুন্দর মুহূর্তগুলো বারবার সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। আর এই সুখের সংসারের চাবিকাঠি পরস্পরের ধর্মের প্রতি অপরীসীম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা। এমনটাই মনে করেন শত্রুঘ্নর মেয়ে-জামাই।
আর ঠিক সেই কারণেই দাম্পত্য শুরু প্রথম দিন অর্থাৎ সই বিয়ের আসরে গায়েত্রী মন্ত্রের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে ছিল আজানের সুর। রং-তুলির টানে ফ্রেমবন্দি পরপস্পরের ধর্মের প্রতি এই সম্মান। কিন্তু, কীভাবে? ইনস্টাগ্রামে জাহিরের সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে নিজেই জানিয়েছেন সোনাক্ষী।
আরও পড়ুন:

সেই মর্মে লেখেন, ‘একবার আমরা অস্ট্রেলিয়ায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই সুভিকা শর্মা কারিয়া আমাকে ফোন করে বললেন, বিয়ের উপহার হিসেবে একটি পেইন্টিং উপহার দিতে চান। যখন সেই ছবির ভাবনাটা আমাকে বোঝালেন তখন শুধু মনে হয়েছিল আমাদের হৃদয় পড়ে ফেলেছেন। তিনি বলেছিলেন ছবিটিতে এমনভাবে আমাদের দু’জনের বিশ্বাস ও আস্থার প্রতিফলন থাকবে যা ভালোবাসা, সম্প্রীতি এবং ইতিবাচক মনোভাবের এক অপূর্ব মিলনের প্রতীক হয়ে উঠবে।’
জাহিরের সঙ্গে সুখের ঘরকন্না করছেন সোনাক্ষী। আবেগঘন পোস্টে লিখেছেন, ‘আমাদের বিয়ের সময় যখন পণ্ডিতজি গায়ত্রী মন্ত্র উচ্চারণ করছিলেন ঠিক তখনই বাড়ির ভেসে এসেছিল আজানের সুর। দুই ধর্মের শক্তিই আমাদের সংসারকে ভালোবাসা, শান্তি আর সুখে ভরিয়ে রেখেছে।’
সাত বছরের সম্পর্ক তাঁদের। দাম্পত্যও দেখতে দেখতে স্পর্শ করল দু’বছর। ফুকেতের সৈকতে তাঁদের সাম্প্রতিক ছবিগুলি দেখলে বোঝা দায়, এটা মধুচন্দ্রিমা নয়! নির্জন সমুদ্রতীরে তাঁদের ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে মুগ্ধ ফ্যানরা। সোনাক্ষী সিনহা নিজেই শেয়ার করলেন ছবিগুলি। লিখলেন, ‘বাঁচো… ভালোবাসো… হাসো। এটাই বেঁচে থাকা।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
