ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের পার্টি অফিস ছেড়ে দেওয়ার নোটিসে কলকাতার সিটি সিভিল কোর্ট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলেও পার্টি অফিস ব্যবহার নিয়ে ফের প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে দমকলের দেওয়া নোটিসে। আপাতত ওই জায়গায় পার্টি অফিস ব্যবহার করা যাবে না বলেই মত আইনজীবীদের।
তৃণমূলের আইনজীবী আর্ক কুমার নাগ জানান, গত ২৫ অগস্ট ৯, ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম এবং অষ্টম তলায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার নোটিস দেয় বাড়ির মালিক। শনিবার সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্ট। কিন্তু আইনজীবী মহলের মতে, তাতেও তৃণমূলের পার্টি অফিস ব্যবহারের আইনি জট কাটছে না। এরই মধ্যে দমকলের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জায়গাটি এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। ফলে ভবনের ভিতরে ও আশেপাশের মানুষের জীবনে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই অবিলম্বে ওই অংশগুলি খালি করতে হবে। নতুন করে শংসাপত্র না-পাওয়া পর্যন্ত ওই জায়গা ব্যবহার করা যাবে না।
আরও পড়ুন:
ক্যামাক স্ট্রিটের ওই সম্পত্তি নিয়ে মালিক রামা দেবী গোয়েঙ্কার জারি করা উচ্ছেদ নোটিসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা চেয়ে আবেদন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এরপরই আদালত ওই সম্পত্তির বিষয়ে ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই সম্পত্তি নিয়ে মালিক রামা দেবী গোয়েঙ্কার জারি করা উচ্ছেদ নোটিসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা চেয়ে আবেদন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এরপরই আদালত ওই সম্পত্তির বিষয়ে ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এদিন বিচারক সুধীর কুমারের দেওয়া নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৫ আগস্ট জারি করা নোটিসে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই কার্যালয় খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল। সম্পত্তির মালিক রামা দেবী গোয়েঙ্কা এই আবেদনের বিরোধিতা করে যুক্তি দেন, লিজ চুক্তি ‘পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল যুব কংগ্রেস’-এর সঙ্গে করা হয়েছিল। আর তাই এই মামলা দায়ের করার কোনও আইনি অধিকার ‘এআইটিসি’ অর্থাৎ ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’-এর নেই।
প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ বিবেচনা করে আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেছে। মামলাটির নিষ্পত্তি না-হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া ১ অক্টোবর লিখিত বক্তব্য দাখিল করারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
