বঙ্গে ফের ভোটের দামামা। পুজো মিটলেই কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় হতে পারে ভোট। আর সেই প্রস্তুতি শুরু করে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নয়, রাজ্য পুলিশ দিয়েই পুরভোট সামলানোর চিন্তাভাবনা কমিশনের।
সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলি যে জেলায় সেখানকার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন,পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জেলাশাসকরা কমিশনে জানাবেন। সেই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে নিরাপত্তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। তারপরেই কমিশনের তরফে নিরাপত্তা সংক্রান্ত গাইডলাইন পাঠানো হবে জেলাশাসকদের।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, বিরোধী আসনে থাকাকালীন পুরসভা থেকে পঞ্চায়েত ভোট সামলাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বারবার সরব হয়েছিল বিজেপি। সেই দলই বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায়। সূত্রের খবর, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর পক্ষপাতী বলে জানা গিয়েছে। কমিশনের কর্তাদের ব্যাখ্যা, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শেষ পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করা হয়েছিল। কমিশন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলি যে জেলায় সেখানকার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন,পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জেলাশাসকরা কমিশনে জানাবেন। সেই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে নিরাপত্তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। তারপরেই কমিশনের তরফে নিরাপত্তা সংক্রান্ত গাইডলাইন পাঠানো হবে জেলাশাসকদের।
কমিশন সূত্রে খবর, বৈঠকে মূলত পুর এলাকার নতুন সীমানা নির্ধারণ, আসন সংরক্ষণ, ইভিএম ব্যবস্থাপনা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুতি, ভোটকেন্দ্র বাছাই এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মী নিয়োগের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হয়েছে। তবে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে ব্যবহৃত ইভিএম দিয়েই পুরভোট করানো হবে নাকি নতুন প্রযুক্তির ইভিএম আনা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইভিএমের জোগানের ওপর নির্ভর করে বকেয়া সমস্ত পুরসভায় একদিনে ভোট হবে নাকি একাধিক দফায় নির্বাচন পরিচালিত হবে, তা নিয়েও প্রথম ধাপের এই বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পুরসভা ও পুরনিগমে নির্বাচন আটকে রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পাঁচটি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, যার মধ্যে রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি। উত্তরবঙ্গ ও পাহাড়ের কার্সিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর এবং ধূপগুড়ি। তাছাড়া বালি, ডোমকল, পূজালি, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, নদিয়ার কুপার্স ক্যাম্প এবং নলহাটি- বেশ কয়েকটি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
