কুলদীপের মুক্তি-মামলা: সুপ্রিম কোর্টে আস্থা রাখছেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা, শঙ্কা সিবিআইকে নিয়ে

কুলদীপের মুক্তি-মামলা: সুপ্রিম কোর্টে আস্থা রাখছেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা, শঙ্কা সিবিআইকে নিয়ে

রাজ্য/STATE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উন্নাওয়ের ধর্ষণকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হওয়া বিজেপির বহিষ্কৃত বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গারের সাজা স্থগিত ও জামিনে মুক্তির নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে সিবিআই। সোমবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা। তার আগে নির্যাতিতা জানালেন, শীর্ষ আদালতের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে। তবে সিবিআইয়ের ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে নিজেদের শঙ্কার কথাও জানিয়ে রাখল নির্যাতিতার পরিবার।

যন্তর মন্তরে অবস্থান বিক্ষোভের মাঝে নির্যাতিতা বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে বিচার পাব বলেই আস্থা রয়েছে। সিবিআই যদি ঠিক করে নিজের কাজ করত, তা হলে এই দিন দেখতে হত না। আমায় ধর্ষণ করা হয়েছে। আমার বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমার পরিবারের লোকেদের খুন করা হয়েছে। আমার পরিবারের নিরাপত্তা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীকে কাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।”

উন্নাওয়ে গণধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবজ্জীবন সাজা পাওয়ার পরেও দিল্লি হাই কোর্ট সম্প্রতি কুলদীপের সাজা স্থগিত রেখে তাঁকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনায় দেশ জুড়ে ক্ষোভ ছড়ায়। নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তাঁরা দিল্লি হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। বুধবার সন্ধ্যায় দশ জনপথে গিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের লোকজন বড় কোনও আইনজীবীর সাহায্য চেয়েছিলেন। এর পর সিবিআই-ই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।

সিবিআইয়ের এই পদক্ষেপেই স্বস্তির বদলে নির্যাতিতা ও তাঁর আইনজীবীরা শঙ্কিত। বৃহস্পতিবার উন্নাওয়ের নির্যাতিতা প্রশ্ন তুলেছেন, “এতদিন সিবিআই কী করছিল? সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার দোষী কুলদীপ সেঙ্গারের সঙ্গে গিয়ে দেখা করেছিলেন। আমাদের সুপ্রিম কোর্টে আরও সতর্ক থাকতে হবে।” নির্যাতিতা আইনজীবী মেহমুদ প্রাচাও বলেন, “সিবিআই যদি হারার ইচ্ছা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায়, তা হলে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। সিবিআই যাতে আগেই দোষীর সুবিধা করে দিতে কোনও রায় না আদায় করে নেয়, তার জন্য আমরা সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দায়ের করব। যাতে আমাদের বক্তব্য শুনে তবেই সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *