কাশ্মীরে সেনার নয়া মাথাব্যাথা ‘বেডরুম জেহাদ’, ধুরন্ধর এই জঙ্গিরা ছড়াচ্ছে সন্ত্রাসের আগুন

কাশ্মীরে সেনার নয়া মাথাব্যাথা ‘বেডরুম জেহাদ’, ধুরন্ধর এই জঙ্গিরা ছড়াচ্ছে সন্ত্রাসের আগুন

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও সন্ত্রাসের পর জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। খতম হয়েছে বহু জঙ্গি। তবে সন্ত্রাসমুক্ত কাশ্মীরের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর কাছে নয়া চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে ‘বেডরুম জেহাদ’। গোটা কাশ্মীর জুড়ে হিংসার আগুন ছড়াচ্ছে এই সন্ত্রাসী দল। ঘরের মধ্যে বন্দি হয়েই গোটা কাশ্মীরকে রণক্ষেত্রে পরিণত করতে এদের জুড়ি মেলা ভার।

নিরাপত্তাবাহিনীর তরফে জানা যাচ্ছে, এই বেডরুম জেহাদিদের কাজ হল সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য ছড়ানো। এই কাজে অত্যন্ত দক্ষ এই জঙ্গিরা। সাধারণ মানুষকে সরকারের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে হিংসা ছড়াতে এদের জুড়ি নেই। সম্প্রতি নিরাপত্তাবাহিনীর তদন্তে সামনে এসেছে এদের অস্তিত্ব। পাক সান্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এক বিরাট সোশাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে এরা। এই সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল পরিচালনা করে পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠী ও তাদের সঙ্গে যুক্ত থাকা হ্যান্ডেলাররা। আধিকারিকদের দাবি, এই নেটওয়ার্ক ভারতের ডিজিটাল স্পেসে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে হরদম। যাদের মূল লক্ষ্য সোশাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক প্রচার চালিয়ে সাম্প্রদায়িক হিংসা ও ঘৃণা ছড়ানো।

গোয়েন্দা বিভাগের দাবি, এই জঙ্গিরা অন্যান্য জঙ্গিদের মতো গোলা-বারুদ ও অস্ত্রের লড়াই চালায় না। তার পরিবর্তে সীমান্তপারে অশান্তি ছড়ানোর এক নেটওয়ার্ক চালায়। এক আধিকারিক বলেন, “সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে লড়াইয়ের পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তাবাহিনীকে এখন লড়তে হচ্ছে পর্দার আড়ালে থাকা ভয়ংকর এই শত্রুর সঙ্গে। নয়া প্রজন্মের এই জেহাদিরা যে কোনও জায়গায় বসে কম্পিউটার ও স্মার্টফোন ব্যবহার করে যুদ্ধে নেমে পড়েছে ও যুবসম্প্রদায়কে উসকানি দিয়ে চলেছে।”

প্রশাসনের তরফে জানা যাচ্ছে, ভয়ংকর এই ষড়যন্ত্র প্রথম সামনে আসে ২০১৭ সালে। ২০১৯ সালে এই ঘটনা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। তবে গত বছরের বিধানসভা নির্বাচনের পর ফের এই বেডরুম জেহাদিরা সামনে এসেছে। গত কয়েক সপ্তাহে এমন হাজার হাজার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট তদন্তকারীদের নজরে এসেছে। যা খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন এর মূল শিকড় রয়েছে পাকিস্তানের মাটিতে। তদন্তকারীদের দাবি, এই ভারচুয়াল যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র লাগে না। যে কেউ নিজের বিছানা বা সোফায় বসে হাজার হাজার চ্যাট গ্রুপের কোনও একটিতে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেয়। এরপর গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে দাঙ্গা ও সাম্প্রদায়িক হিংসা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *