ভোট দ্বিতীয়ায় রণক্ষেত্র কালীঘাট! ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের। পালটা জয় শ্রী রাম স্লোগান দিতে শুরু করে বিজেপি কর্মীরাও। স্লোগান পালটা স্লোগানকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের সংযোগস্থলে। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই কমিশনে অভিযোগ জানান বিরোধী দলনেতা। ফোনে দ্রুত কেন্দ্রীয়বাহিনীকে পাঠানোর কথা বলেন। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মৃদু লাঠিচার্জ করা হয় বলেও অভিযোগ। ধুন্ধুমার পরিস্থিতির মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ”শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। শুভেন্দুর কথায় পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করেছে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
ধুন্ধুমার পরিস্থিতির মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ”শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। শুভেন্দুর কথায় পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করেছে।”
দ্বিতীয়দফায় ‘হাইভোল্টেজ’ কেন্দ্র ভবানীপুর। একদিকে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকে একেবারে মাটি কামড়ে বিরোধী দলনেতা। ভবানীপুরের বিভিন্ন বুথ বুথ পরিদর্শন করছেন তিনি। পালটা ময়দানে রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ভোটের দিন স্বভাবত বাড়ি থেকেই গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তিনি। কিন্তু এদিন সকাল থেকেই ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুথ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তৃণমূল নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। এরমধ্যেই জয়হিন্দ ভবনে বুথ পরিদর্শনে যান বিরোধী দলনেতা। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। ঘটনায় রীতিমতো মেজাজ হারিয়ে একটা সময় বিরোধী দলনেতাকে কালীঘাটের রাস্তায় দৌড়তেও দেখা যায়।


তাঁর অভিযোগ, ”তাঁর উপর বহিরাগতরা আক্রমণ করছেন” যদিও এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ওনার (পড়ুন-শুভেন্দু) উপর হামলা হয়েছে প্রমাণ করুন। ভোটারদের প্রভাবিত করতেই এই অভিযোগ করা হচ্ছে। ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
