কাপড়ের ব্যবসা, শিবপুরের ঘিঞ্জি এলাকায় বাস, বানাতেন জাল নথিও, সীমান্তে ধৃত কে এই আফগান যুবক?

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


গত কয়েকদিনে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর এজেন্ট সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ। এই পরিস্থিতিতে রবিবার নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক আফগান যুবক। নাম আবদুল্লা খান। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ভুয়ো আধার কার্ড, ভুয়ো ভোটার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সও। জাল নথি বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বাস করছিলেন বলে খবর। কিন্তু কে এই আবদুল্লা?

জানা গিয়েছে, শিবপুরের ঘিঞ্জি এলাকার একটি আবাসনে থাকতেন আবদুল্লা। তাঁর কাপড়ের ব্যবসা ছিল। কিন্তু তার সঙ্গেই মোটা টাকার বিনিময়ে বানাতেন ভুয়ো নথি এবং ভারতীয় পরিচয়পত্র। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ওই আবাসনে বসবাস করছিলেন আবদুল্লা। এলাকায় বাইক নিয়ে যাতায়াত করতেন। তাঁর সঙ্গে বাস করতেন আরও এক আফগান যুবক। আবাসনে বসেই যে আবদুল্লা জাল নথি তৈরির চক্র চালাতেন, তা ঘুনাক্ষরেও টের পাননি স্থানীয়রা। জানা গিয়েছে, আবদুল্লার বাবা ফাজাল খান আগে শিবপুরের ওই এলাকাতেই বাসবাস করতেন। কিন্তু পরে তিনি চলে যান। এরপর ২০১৮ সাল থেকে আবদুল্লা ওই আবাসনে বসবাস করা শুরু করেন। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তিনি ভারতেই থেকে যান। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি হয়। আবদুল্লার পাশাপাশি শঙ্কর বণিক নামে তাঁর এক ভারতীয় বন্ধুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

তদন্তে জানা গিয়েছে, আবদুল্লা এবং শঙ্কর নেপাল হয়ে থাইল্যান্ডে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। সেই উদ্দেশ্যে রবিবার দুপুরে তাঁরা পানিট্যাঙ্কি অভিবাসন দপ্তরে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য যান। সেখানে কর্মরত আধিকারিকরা ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস সাইটে চেক করার সময় দেখতে পান যে, আবদুল্লার বিরুদ্ধে লুক আউট সার্কুলার নোটিস রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে পানিট্যাঙ্কি অভিবাসন দপ্তর থেকে তাঁদের আটক করে খড়িবাড়ি থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর জেলা পুলিশ, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা যৌথভাবে তাঁদের ম্যারাথন জেরা করেন। তারপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে জাল নথিপত্র তৈরি, প্রতারণা, ইমিগ্রেশন ও ফরেনার্স অ্যাক্ট এবং আধার আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *