কলকাতায় নয়, প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে স্বাধীনতা দিবসে বাংলার এই গ্রামে তেরঙ্গা ওড়াবেন শুভেন্দু

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


৮০ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে সুন্দরবনে অনন্য নজির। কারণ, এবার গোসাবার কিষাণ মাণ্ডিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। গত কয়েকদিন ধরে মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচির জন্য বেশ কয়েকটি জায়গা খতিয়ে দেখা হয়। তার মধ্যে গোসাবি কাছারি মাঠ এবং সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্পের ঝিলা ফরেস্ট ক্যাম্প খতিয়ে দেখা হয়। তবে ভৌগোলির অবস্থানের কথা মাথায় রেখে গোসাবার কিষাণ মাণ্ডিকে মূল অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নেওয়া হয়। এতদিন কলকাতার রাজপথে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন করতেন মুখ্যমন্ত্রীরা। এই প্রথমবার সুন্দরবনে পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সুন্দরবনে তুঙ্গে প্রশাসনিক ব্যস্ততা। নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে।

এদিকে, কলকাতার রেড রোডের অনুষ্ঠানেও থাকবে বিশেষ চমক। সোমবার কেন্দ্রের তরফে সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানেই প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে অন্য পাঁচটি রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’কর্মসূচির আওতায় সাংস্কৃতিক ও খাবারের উৎসবের আয়োজন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, এর মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে কলকাতায় রেড রোডের অনুষ্ঠানে কোন পাঁচ রাজ্যের বিশিষ্টরা থাকবেন সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, জেলা, মহকুমা, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরেও সকাল ৯টার পর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু করতে হবে। রাজ্য স্তরে মুখ্যমন্ত্রী এবং জেলা স্তরে মন্ত্রী, কমিশনার বা জেলাশাসক পতাকা উত্তোলন করবেন। মহকুমা ও ব্লক স্তরে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক এবং পঞ্চায়েত ও গ্রাম স্তরে গ্রাম বা পঞ্চায়েত প্রধান পতাকা উত্তোলন করবেন।

আরও পড়ুন:

স্বাধীনতা দিবসের দিন সন্ধ্যায় রাজ্যপালের বাসভবনে সন্ধ্যা ৬টার পর ‘অ্যাট হোম’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে। এই অনুষ্ঠানে সাধারণ আমন্ত্রিতদের পাশাপাশি বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারী বিভিন্ন মানুষকে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলা হয়েছে। তালিকায় থাকবেন দিব্যাঙ্গজন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতী ব্যক্তি, পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা নেওয়া মানুষ, স্বচ্ছতাকর্মী, পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত, শহিদ পরিবারের সদস্য, অলিম্পিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পদকজয়ী, শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাহসিকতার পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশু, মহিলা সরপঞ্চ, ছাত্রছাত্রী এবং নতুন উদ্ভাবনের সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা। এ ধরনের ২৫ থেকে ৫০ জন বিশেষ অতিথির জন্য আসন সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সঙ্গে দেশবাসীর মধ্যে দেশাত্মবোধ বাড়াতে সারা দেশে ব্যান্ডের অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই অনুষ্ঠান হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে অনুষ্ঠান সফল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *