‘কর্মফল’! বিজেপি জিততেই ঘাসফুলকে বিঁধে ‘বেঙ্গল ফাইলস’ রিলিজের আর্জি সৌরভের

‘কর্মফল’! বিজেপি জিততেই ঘাসফুলকে বিঁধে ‘বেঙ্গল ফাইলস’ রিলিজের আর্জি সৌরভের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবিতে ‘গোপাল পাঠা’ ওরফে গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন সৌরভ দাস। ট্রেলার প্রকাশ্যে আসার পরই সমালোচিত হতে হয় অভিনেতাকে। এমনকী গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের তরফেও ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিষিদ্ধ করার দাবি তুলে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছিল। ‘বাংলা বিরোধী স্ট্র্যাটেজি মূলক সিনেমায় বাঙালি অভিনেতারা কেন?’ এহেন প্রশ্নের সম্মুখীনও হতে হয়েছে সৌরভকে। এবার বঙ্গে গেরুয়া ঝড় বইতেই ফের নিজের প্রথম বলিউড ছবি রিলিজের আর্জি জানালেন ‘মন্টু পাইলট’।

‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ছবিতে ‘গোপাল পাঠা’ ওরফে গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকায় সৌরভ দাস। ছবি- সংগৃহীত

আরও পড়ুন:

মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে সৌরভের মন্তব্য, ‘আমি যে মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গিয়েছি—আমাকে বাদ দেওয়ার, আমাকে নিষিদ্ধ করার সেই হুমকি আর ভয়; যে কাজটা আমি সবচেয়ে ভালো পারি, সেখান থেকেই আমাকে সরিয়ে দেওয়ার সেই আতঙ্ক। আমি কীভাবে রোজগার করব, সেই চিন্তায় ভীত হয়ে পড়া, আমাকে কি তবে অন্য কোনও ইন্ডাস্ট্রিতে একেবারে শূন্য থেকে, নতুন করে শুরু করতে হবে? আর আমার পরিবারের কী হবে—যারা আমার দিকেই তাকিয়ে থাকে? আর তারপর সেই ভ্রমণের কষ্ট— আমার সিনেমাটা দেখার জন্য বন্ধুর সাথে সুদূর মুম্বই পর্যন্ত যাওয়া। সেখানে বসে এই ভেবে কেঁদে ফেলা যে, আমি আমার পরিবারের সাথে (যাদের কিনা শেষমেশ টাটানগরে যেতে হয়েছিল তাদের ছেলের বলিউডের সিনেমায় অভিনয় দেখা জন্য— যা নিয়ে তারা ভীষণ গর্বিত ছিল) কিংবা আমাকে ভালোবাসে এমন মানুষদের সাথে আমার জীবনের এই বিশাল সাফল্যটা উদযাপন করতে পারছি না। এই কষ্টগুলোর কথা আজ বলাটা বড্ড জরুরি হয়ে পড়েছিল। বিশ্বাস করুন, আমার মতো সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় স্তরের কোনও সিনেমার পোস্টারে নিজের মুখ দেখতে পাওয়াটা আমার কাছে এক বিশাল বড় অর্জন। এ এক এমন সফর, যা বহু ত্যাগ আর কঠোর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।’

“বিশ্বাস করুন, ‘কর্মফল’ বলে সত্যিই কিছু একটা আছে। আর তা যখন আঘাত হানে, তখন সেই আঘাতের তীব্রতা হয় হাড়হিম করা! আমি চাই, ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ সিনেমাটি যেন আবারও আমাদের এই বাংলায় মুক্তি পায়।…” 

এখানেই শেষ নয়! সৌরভের সংযোজন, “আমার স্পষ্ট মনে আছে সিনেমাটা দেখা শেষ করে প্রেক্ষাগৃহ থেকে বেরিয়ে আসার পর আমি আমার গলার সবটুকু জোর দিয়ে চিৎকার করে উঠেছিলাম। মনের ভেতর জমে থাকা সব হতাশা আমি সেই চিৎকারের মাধ্যমেই উগরে দিয়েছিলাম; আর তারপর সেই বিশাল হোর্ডিং-এর নিচে দাঁড়িয়ে একটা ছবি তুলেছিলাম। যে হোর্ডিংয়ে জ্বলজ্বল করছিল আমারই মুখ। আমি আজ ভীষণ গর্বিত এই ভেবে যে, আমি এমন এক বিশাল ব্যক্তিত্বের চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলাম। আহ্! কী স্বস্তি! বিশ্বাস করুন, ‘কর্মফল’ বলে সত্যিই কিছু একটা আছে। আর তা যখন আঘাত হানে, তখন সেই আঘাতের তীব্রতা হয় হাড়হিম করা! আমি চাই, ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ সিনেমাটি যেন আবারও আমাদের এই বাংলায় মুক্তি পায়। শিল্পের সাথে কোনও আপস করা উচিত নয়।” শেষপাতে সৌরভ এও জানান যে, ‘আমায় সত্যিই পুরো স্ক্রিপ্ট দেয়নি। শুধু ৩ দিনের চিত্রনাট্য দেওয়া হয়েছিল। ৯০ দিনের শুটের স্ক্রিপ্ট কেনই বা দেবে? দিলে আজ সত্যিটা বলে দিতাম।’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *