কপালে ‘খ’, পরনে শাড়ি! পডকাস্টে যন্ত্রণার কথা তুলে ধরে স্যান্ডি বললেন, ‘মুখে মূত্রত্যাগ করেছিল’

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সোশাল মিডিয়ার দৌলতে স্যান্ডি সাহাকে চেনে না, এমন লোক বোধ হয় নেই। বারবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। একটি পডকাস্টে গিয়ে এবার নিজের যন্ত্রণার কাহিনী তুলে ধরলেন সকলের প্রিয় স্যান্ডি অর্থাৎ সন্দীপ সাহা। বাংলাদেশের এক ইনফ্লুয়েন্সর জুটির অশান্তি মেটাতে গিয়ে কীভাবে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছিল, সে কথা তুলে ধরলেন তিনি। বললেন, “মারধরের পাশাপাশি প্রিন্স মামুন আমার মুখে মূত্রত্যাগ করেছিল।”

স্যান্ডি বলেন, “প্রিন্স মামুন ও লায়লার ব্রেকআপ চলছিল। আমি জানার পর ঢাকায় গিয়েছিলাম মিটমাট করাতে। আমাকে দেখে মামুনের পছন্দ হয়ে যায়। একদিন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আমাকে অশ্লীলভাবে স্পর্শ করে। প্রতিবাদ করলে আমার উপর অত্যাচার করে। মারধর করা হয়। পেনসিল হিল দিয়ে আমার ঘাড়ে আঘাত করে। ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাই।  আমার মুখে মূত্রত্যাগ করেছিল।”

আরও পড়ুন:

কখনও নাইটি পরে কলকাতার রাস্তায় ঘুরেছেন। কখনও আবার কাদা-কাদা ভিডিও করেছেন। আর পাঁচজন যা ভাবতেও পারেন না তা করেই ভাইরাল হয়েছিলেন স্যান্ডি। তারপর একাধিকবার একাধিক ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন তিনি। হলুদ শাড়ি, শান্তিনিকেতনের গয়না পরে সেখানে হাজির হয়েছিলেন স্যান্ডি। সেখানেই যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, বারবার ভালোবেসে প্রতারিত হয়েছেন তিনি। সেখানে ওঠে বাংলাদেশের ইনফ্লুয়েন্সর জুটি প্রিন্স মামুন ও লায়লার সঙ্গে অশান্তি প্রসঙ্গ।

sandy
ইনফ্লুয়েন্সর স্যান্ডি সাহা। ছবি- সোশাল মিডিয়া।

ঢাকায় চরম হেনস্তার গল্প শোনান স্যান্ডি। বলেন, “প্রিন্স মামুন ও লায়লার ব্রেকআপ চলছিল। আমি জানার পর ঢাকায় গিয়েছিলাম মিটমাট করাতে। আমাকে দেখে মামুনের পছন্দ হয়ে যায়। একদিন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আমাকে অশ্লীলভাবে স্পর্শ করে। প্রতিবাদ করলে আমার উপর অত্যাচার করে। মারধর করা হয়। পেনসিল হিল দিয়ে আমার ঘাড়ে আঘাত করে। ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাই।” এরপরই বিস্ফোরক দাবি করেন স্যান্ডি। তাঁর দাবি, মামুন তাঁর মুখে মূত্রত্যাগ করেছিল। স্যান্ডি জানান, এরপর তাঁকে ঢাকার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তাঁর অস্ত্রোপচারও করতে হয়। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন সকলের মুখে হাসি ফোটানো স্যান্ডি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *