কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন মার্কিন প্রেস সচিব ক্যারোলিন, অভিনন্দনে ‘মিনাব হত্যাকাণ্ড’ মনে করাল ইরান

কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন মার্কিন প্রেস সচিব ক্যারোলিন, অভিনন্দনে ‘মিনাব হত্যাকাণ্ড’ মনে করাল ইরান

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন হোয়াইট হাইসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডলে নিজেই একথা ঘোষণা করেন তিনি। পাশাপাশি, সদ্যোজাতের সঙ্গে একটি ছবিও পোস্ট করেন ক্যারোলিন।

আমেরিকার ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ হোয়াইট হাউস প্রেস সচিব হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন ক্যারোলিন। এদিন তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গত ১ মে আমাদের পরিবার আলো করে এসেছে ভিভিয়ানা ওরফে ভিভি। আমাদের হৃদয় ভালোবাসায় ভরে গিয়েছে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘ভিভিয়ানা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক রয়েছে। ওর বড় ভাইও খুব আনন্দিত।’

আরও পড়ুন:

ক্যারোলিনকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরানও। একইসঙ্গে মিনাব হামলার কথা মনে করিয়ে হোয়াইট হাউস প্রেস সচিবকে খোঁচাও দিয়েছে তারা। আরমেনিয়ার ইরানি দূতাবাস তাদের এক্স হ্যান্ডলে লেখে, ‘আপনাকে অভিনন্দন। শিশুরা নিষ্পাপ ও ভালোবাসার যোগ্য। কিন্তু আপনার বস মিনাবের স্কুলে যে ১৬৮ জন শিশুকে হত্যা করেছিলেন এবং আপনি যার ন্যায্যতা প্রমাণ করেছিলেন, তারাও শিশুই ছিল। যখন আপনি আপনার শিশুকে চুম্বন করেন, তখন সেই নিহত শিশুদের মায়েদের কথা ভাবুন।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর দিন মিনাবের শাজারা তায়েব প্রাথমিক স্কুলে আছড়ে পড়ে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল। চোখের নিমেষে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় বালিকা বিদ্যালয়টি। মৃত্যু হয় ১৬৮ জনের। অধিকাংশই ছাত্রী। প্রাথমিকভাবে ইজরায়েল বা আমেরিকা, কেউ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। পরে জানা যায়, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল ওই স্কুলে। আর এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করে আমেরিকা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর এই হামলার তদন্ত চালাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য দায়ী আমেরিকাই। এ-ও বলা হয়েছে, স্কুল লাগোয়া একটি ইরানি ঘাঁটিতে হামলা চালাতে গিয়ে ভুল করে স্কুলে হামলা চালায় ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *