‘এসো বাংলা শিখি’, বাংলা ভাষার বিস্তারে যুগান্তকারী পদক্ষেপ স্কটিশ চার্চ কলেজের

‘এসো বাংলা শিখি’, বাংলা ভাষার বিস্তারে যুগান্তকারী পদক্ষেপ স্কটিশ চার্চ কলেজের

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা ভাষার বিস্তার ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্যবহার বাড়াতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ। ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের সহযোগিতায় কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল অনলাইনে বাংলা শিক্ষার কোর্স ‘এসো বাংলা শিখি’ বা ‘ইন্ট্রোডাকশন টু বাংলা’। এই কোর্সের মূল লক্ষ্য ভারত-সহ বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলা পড়া, লেখা ও বলা সহজ করে তোলা।

বুধবার কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের অধ্যক্ষা ড. মধুমঞ্জরী মণ্ডল, আই কিউ এ সি কো অর্ডিনেটর সম্রাট ভট্টাচার্য, ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের ডিন ড. সুমন্ত রূদ্র, এবং কোর্স কোঅর্ডিনেটর ডক্টর বিদিশা সিনহা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশে বাংলা ভাষার প্রতি আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে ইস্কনের বহু বিদেশি ভক্ত চান বাংলায় শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত, ভগবদ্ গীতা, ভাগবত পুরাণ ও অন্যান্য বৈষ্ণব গ্রন্থ পড়তে। ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী শ্রীল প্রভুপাদ নিজে ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের ছাত্র। তাই এই ঐতিহাসিক যোগসূত্রও কলেজকে উদ্যোগী করেছে। ড. মধুমঞ্জরী মণ্ডল জানান, “ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের পক্ষ থেকেই প্রথম প্রস্তাব আসে। বাংলা শেখার আগ্রহ এখন আর শুধু বাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বজুড়েই বাংলা সংস্কৃতি সম্পর্কে কৌতূহল বাড়ছে। তাই এই উদ্যোগ। ”

বিদেশিদের ভাষা শিক্ষণ সহজ করতে এই কোর্সে থাকছে তিনটি পর্যায় প্রাইমারি, ইন্টারমিডিয়েট ও অ্যাডভান্সড। প্রাথমিক স্তরে থাকছে ২৪টি এক ঘণ্টার ক্লাস, প্রতিটি ক্লাসের শেষে থাকবে এমসিকিউ-ভিত্তিক মূল্যায়ন। কোর্স শেষে পাওয়া যাবে সার্টিফিকেট। ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে ভিডিও, অডিও ও অন্যান্য অডিও-ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট। স্কটিশ চার্চ কলেজের ওয়েবসাইটে বুধবার থেকে কোর্সটির লাইভ চালু হয়। ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের ডিন ড. সুমন্ত রূদ্র বলেন, “শুধু ইসকনের ভক্তই নন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে আগ্রহী যে কেউ এই কোর্সে যোগ দিতে পারবেন। আমরা চাই বাংলা সত্যিই একটি বৈশ্বিক ভাষা হয়ে উঠুক।” বাংলা ভাষার ঐতিহ্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্ববাসীর সামনে আরও বিস্তৃত আকারে পৌঁছে দেওয়ার পথে এই কোর্স নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন আপামর বাঙালি থেকে শুরু করে ভাষাবিদরাও।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *