এসআইআরের জন্য বাড়ি ফেরার কথা ছিল! অসমে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের

এসআইআরের জন্য বাড়ি ফেরার কথা ছিল! অসমে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরাক্কা: অসমে কাজে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু মুর্শিদাবাদের এক পরিযায়ী শ্রমিকের। মৃতের নাম সেলিম শেখ (৩৮)। বাড়ি ফরাক্কা ব্লকের অর্জুনপুর গ্রামপঞ্চায়েতের খোদাবন্দপুর এলাকায়। আজ, মঙ্গলবার বাড়িতে সেলিম শেখের মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই পরিবারে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিলেন সেলিম। স্বামীর মৃত্যুতে তিন নাবালক সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্ত্রী মিমেরা খাতুন। ঘটনার খবর পেয়েই এলাকায় ছুটে যান জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।

ফরাক্কা ব্লকের খোদাবন্দপুর গ্রামের সেলিম শেখ পেশায় সাটারিং মিস্ত্রি। পরিবারে স্ত্রী মিমেরা খাতুন এবং তিন নাবালক সন্তান রয়েছে। বাড়তি আয়ের আশায় গত দু’মাস আগেই অসমের গুয়াহটিতে কাজে যান সেলিম শেখ। সেখানে এমন পরিণতি হতে হবে তা কল্পনাতেও ভাবতে পারেননি। জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় কেনাকাটি করতে গুয়াহটি বাজারে যান সেলিম। রেল লাইন অতিক্রম করার সময় আচমকাই ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়েন সেলিম শেখ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

মিমেরা খাতুন জানান, “সোমবার বিকেলেও ফোনে শেষ কথা হয়েছিল। এসআইআর সংক্রান্ত কাজ করতে দিন দু’য়েকের মধ্যেই বাড়ি ফিরবেন বলে জানিয়েছিলেন।” কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই যেন অন্ধকার নেমে এল! মিমেরা বলেন, রাত ১০ টার পর গুয়াহাটি থেকে একটি ফোন আসে। যেখানে সেলিম শেখের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

খোদাবন্দপুরের বাসিন্দা তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের তিন নম্বরের সদস্যা মহসিনা খাতুনের স্বামী শহিদুল ইসলাম জানান, “সেলিমের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরেই গুয়াহাটি রেলপুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করি। মঙ্গলবার দুপুরে সেলিমের মৃতদেহের ময়নাতদন্তের পর অ্যাম্বুলেন্সে করে গুয়াহাটি থেকে ফরাক্কার খোদাবন্দপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।” বুধবার ভোরে দেহ গ্রামে এসে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন শহিদুল ইসলাম।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *