এবার ফ্লিপকার্টে ঢালাও চাকরি! ডিজিটাল ব্যবসায় বিনিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সিইওর

এবার ফ্লিপকার্টে ঢালাও চাকরি! ডিজিটাল ব্যবসায় বিনিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সিইওর

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


বদলের বাংলায় পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়িক মানচিত্রে বড়সড় ভোলবদল! এবার পশ্চিমবঙ্গে বিরাট বিনিয়োগের পরিকল্পনা ফ্লিপকার্টের। বুধবারই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন ফ্লিপকার্ট গ্রুপের সিইও কল্যাণ কৃষ্ণমূর্তি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার রজনীশ কুমার সহ ফ্লিপকার্টের শীর্ষস্থানীয় কর্তারা। ফ্লিপকার্ট জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে তাদের বিনিয়োগ আরও বাড়াবে। এর আওতায় রাজ্যে সাপ্লাই চেন পরিকাঠামো, সেলার ইকোসিস্টেম এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাড়ানো হবে। উল্লেখ্য, ভারতে ফ্লিপকার্টের বৃহত্তম ‘ফুলফিলমেন্ট সেন্টার’ অথবা পণ্য সংরক্ষণ-বিতরণের কেন্দ্র এই রাজ্যেই রয়েছে বলে দাবি ফ্লিপকার্টের।

পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ৩০০টিরও বেশি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার, মাদার হাব এবং লাস্ট-মাইল ডেলিভারি কেন্দ্র রয়েছে। যার মাধ্যমে ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। 

আরও পড়ুন:

ওয়ালমার্ট-মালিকানাধীন এই ই-কমার্স সংস্থাটি জানিয়েছে, হরিণঘাটায় অবস্থিত তাদের বৃহত্তম ফুলফিলমেন্ট ও লজিস্টিকস হাবটির ব্যবসা আরও দীর্ঘমেয়াদী করার লক্ষ্যেই বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। হরিণঘাটার এই সেন্টারে ছ’টি তলা জুড়ে ৫০ লক্ষ ঘনফুট পণ্য সংরক্ষণের ক্ষমতা আছে। এখানে স্বয়ংক্রিয় স্টোরেজ ও রিট্রিভাল সিস্টেম, রোবোটিক প্যাকেজিং আর্ম, ক্রস-বেল্ট সর্টার এবং ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ কনভেয়ার বেল্টের মতো অত্যাধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে।  ফ্লিপকার্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে এই মাপের ই-কমার্স ফুলফিলমেন্ট সেন্টারগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম যা ‘ইন্ডিয়ান গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’-এর ‘প্ল্যাটিনাম’ খেতাব অর্জন করেছে। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ৩০০টিরও বেশি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার, মাদার হাব এবং লাস্ট-মাইল ডেলিভারি কেন্দ্র রয়েছে। যার মাধ্যমে ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। 

ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা এবং এই রাজ্যের সঙ্গে ফ্লিপকার্ট গ্রুপের দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের বিষয়টি নিয়ে এদিন নবান্নে আলোচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ফ্লিপকার্টের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ—যার মধ্যে ভারতে তাদের বৃহত্তম ‘ফুলফিলমেন্ট সেন্টার’ বা পণ্য সরবরাহ কেন্দ্রে কর্মসংস্থান, এমএসএমই -এর বিকাশ ও ডিজিটাল বাণিজ্যে তাদের অবদানের প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। উভয় পক্ষই কৃষকদের বাজারে প্রবেশাধিকার, কারিগর ও তাঁত শিল্প ক্লাস্টারকে সহায়তা, এমএসএমই-র উন্নয়ন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী পরিবেশ গড়ে তোলা, যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলিতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছে। এছাড়া, ডিজিটাল বাণিজ্যের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের পণ্যগুলির জন্য বাজারের সুযোগ আরও বাড়ানোর উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *