প্রতি শুক্রবার করে নয়, প্রত্যেকদিন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ২২ দিনের মাথায় অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার মধ্যরাতে সেই তালিকা প্রকাশ করা হয়। যদিও সেই তালিকায় ঠিক কতজনের নাম বাদ পড়েছে তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। এর মধ্যেই মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে একাধিক বিস্তর গরমিল সামনে আসে। এপিক নম্বর দিয়ে তথ্য জানতে চাইলে সকলকেই দেখানো হয়, ‘নির্বাচক বিবেচনাধীন।’ অর্থাৎ ‘UNDER ADJUDICATION।’ যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কমিশনকে। এই অবস্থায় প্রত্যেকদিন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের আবেদন জানিয়ে প্রধান বিচারপতিকে কমিশনের তরফে চিঠি লিখে আবেদন জানানো হয়েছে বলে খবর। যদিও সূত্রের খবর, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু হাই কোর্টের তরফে জানানো হয়নি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সোমবার গভীর রাতে বিচারাধীন ভোটারদের প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। অথচ, সেই তালিকা প্রকাশের ২৪ ঘণ্টা পরও বহু জায়গার তথ্য মিলছে না। কোথাও তথ্য দেখা গেলেও ডাউনলোড করা যাচ্ছে না। যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত তালিকায় ঠিক কতজনের নাম বাদ পড়েছে সেই তথ্য এখনও পর্যন্ত দিতে না পারাতেও প্রশ্ন উঠছে। এর মধ্যে আগামী শুক্রবার আরও একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করার কথা রয়েছে। কিন্তু কমিশন চায়, শুক্রবার করে নয়, প্রত্যেকদিন বিচারাধীন থাকা নামের তালিকা প্রকাশ করতে। আর সেই আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে কমিশন একটি চিঠি দিয়েছে বলে খবর।
শুক্রবার আরও একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করার কথা রয়েছে। কিন্তু কমিশন চায়, শুক্রবার করে নয়, প্রত্যেকদিন বিচারাধীন থাকা নামের তালিকা প্রকাশ করতে। আর সেই আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে কমিশন একটি চিঠি দিয়েছে বলে খবর।
এদিকে নানাবিধ সমস্যার মধ্যে মঙ্গলবার রাতে আচমকা সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, রাজ্যের সমস্ত ভোটার বিচারাধীন। নিজের এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করলে বৈধ ভোটারদেরও দেখানো হচ্ছে ‘বিচারাধীন।’ এ নিয়ে মঙ্গলবার রাতেই সরব হয় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গের সভা থেকেও এই ইস্যুতে মুখ খোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
