এবার কলকাতাতেও ইথানল মিশ্রিত পেট্রল, কোন কোন জায়গায় মিলবে এই পরিষেবা

এবার কলকাতাতেও ইথানল মিশ্রিত পেট্রল, কোন কোন জায়গায় মিলবে এই পরিষেবা

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


দেশের মাটিতে সমালোচনায় বিদ্ধ ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ‘ই-২০’। কেন্দ্রের এই প্রকল্পে মাইলেজ কমে যাওয়ার পাশাপাশি গাড়ির বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে বাড়ছে ক্ষোভ। এরমধ্যেই এবার কলকাতাতেও পেট্রোলিয়ামের বদলে ব্যবহার হবে পেট্রোল ও ইথানল মিশ্রিত উপাদান। প্রেস ক্লাবে ইন্ডিয়ান অয়েলের সেক্রেটারি কুশল বাজোরিয়া জানান, ল্যান্সডাউন, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোড, রাজারহাট, কসবা ও রবীন্দ্র সদনে মিলবে এই পরিষেবা। বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি ইথানল পরিবেশ দূষণের ক্ষমতা কমায়, পেট্রোল আমদানির নির্ভরতা কম করে।

ইথানল হল আখ, ভুট্টার মতো বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য থেকে তৈরি হওয়া এক ধরনের জৈব জ্বালানি। পেট্রলের সঙ্গে মিশিয়ে এটি ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন:

উদ্যোগপতি দিলীপ মেহরা জানান, ২০২৩ সালে ৩০ শতাংশ ইথানল এসেছিল কলকাতায়, ২০২৫ সালে সে মাত্রা বেড়ে হয়েছিল ৪০ শতাংশে। এবার ৯৫ শতাংশ করার উদ্যোগ নিচ্ছে ইন্ডিয়ান অয়েল। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইথানল ব্যবহারে সব গাড়ির ইঞ্জিন সঠিকভাবেই চলবে। কারণ সমস্ত গাড়িই ই-২০ জ্বালানি ব্যবহারের উপযোগী। তাই আগামী দিনে ইথানলে কোনও অসুবিধে হবে না বলেই দাবি ইন্ডিয়ান অয়েল কর্তাদের।

বলে রাখা প্রয়োজন, দেশে জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুদিন ধরেই ইথানলের জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। আগামী দিনে স্রেফ ইথানলের ভরসাতেই গাড়ি চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে কেন্দ্রের। ইথানল হল আখ, ভুট্টার মতো বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য থেকে তৈরি হওয়া এক ধরনের জৈব জ্বালানি। পেট্রলের সঙ্গে মিশিয়ে এটি ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রের দাবি, ভিনদেশ থেকে আমদানি করা তেলের উপর নির্ভরতা কমাতেই ইথানলের জ্বালানি তৈরি করতে মরিয়া সরকার। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ইথানলের গুরুত্ব আরও বেশি করে অনুধাবন করতে পারছে মোদি সরকার। সমস্যা হল এই ইথানল নিয়ে আবার অভিযোগ অনেক। গ্রাহকদের একাংশের অভিযোগ, ইথানলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে গাড়ির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাইলেজ কমে যাচ্ছে। এমনকী বহু গাড়িতে এই মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করা না যাওয়ায়-নতুন গাড়ি কিনতে হচ্ছে। যদিও এক্ষেত্রে তেল প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির দাবি, ব্রাজিল, চিন ও আমেরিকায় ইথানল ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়েছিল। ব্রাজিলে ৮০ শতাংশ, আমেরিকায় ৮৫ শতাংশ ইথানল নিয়মিত ব্যবহার হয়। এবার কলকাতা হাঁটছে সেই পথে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *