তিনি ভোটচুরি ইস্যুতে পথে নামছেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ চাইছেন। যে সব জায়গায় বিজেপি জিতেছে, সেসব ভোটের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। অথচ যে সব রাজ্যে কংগ্রেস বা অন্য বিরোধীরা জিতছে, সেসব রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুলছেন না। রাহুল গান্ধীর ‘দ্বিচারিতা’ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলল কংগ্রেসেরই পুরনো জোট শরিক ডিএমকে। বিরোধী দলনেতাকে সোজা ‘ভণ্ড’ নেতা বলে দিলেন স্ট্যালিনের দলের শীর্ষ নেতা।
ডিএমকে নেতা সর্বনন আন্নাদুরাই সোশাল মিডিয়ায় রাহুলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, “তামিলনাড়ুতে যে এসআইআর হয়েছে সেটা নিয়ে রাহুল গান্ধীর অবস্থান কী? এত এত লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোট যে কাঁটা গেল সেটা নিয়ে ওর বক্তব্য কী?” ডিএমকের প্রশ্ন, “মল্লিকার্জুন খাড়গে যেভাবে সব রাজ্যের নির্বাচন বাতিল করার কথা বলছেন, সেভাবে আপনিও সব রাজ্যের নির্বাচন বাতিল করার কথা বলছেন না কেন? নাকি থলপতি বিজয়কে ভয় পাচ্ছেন।?”
আরও পড়ুন:
ডিএমকে যে সময় রাহুল গান্ধীকে এই কটাক্ষ করছেন তখন তিনি দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সামনে ধরনায়। আকাশবাণী ভবনে ধরনায় বসে তিনি মোদি-শাহ এবং জ্ঞানেশ কুমারের মুন্ডপাত করছেন। রাহুলের সঙ্গে এদিন মিছিলে পা মেলান সম্মিলিত বিরোধী জোটের সাংসদরা। অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপ্রিয়া সুলে-সহ জোটের শীর্ষ নেতারা মিছিলে হাঁটেন। তবে আপ এবং ডিএমকের কোনও প্রতিনিধি ছিলেন না। ডিএমকে যে কোনওভাবেই এই ইস্যুতে ইন্ডি জোটের পাশে নেই সেটা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল সর্বনন আন্নাদুরাইয়ের খোঁচায়।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ইন্ডি জোটের বৈঠকের পরই ঘোষণা করে দেওয়া হয় জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে সর্বস্তরে আন্দোলন হবে। মঙ্গলবার সাংসদরা যেমন নির্বাচন কমিশনে অভিযান করছেন, তেমনই রাষ্ট্রপতির কাছেও জ্ঞানেশের নামে নালিশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে মঙ্গলবার লোকসভার বিরোধী দলনেতা, রাজ্যসভার বিরোধী মল্লিকার্জুন খাড়গে, মমতা তৃণমূলের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যপাধ্যায় এবং অন্যান্য ইন্ডি জোটের শরিকদের সংসদের নেতারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময় চেয়েছেন। তাতেও থাকবে না ডিএমকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
