উত্তপ্ত উত্তর দমদম, ত্রাণ পাচারের গাড়ি আটকে চেয়ারম্যানের অফিসে ভাঙচুর, মারধর কাউন্সিলরকে

উত্তপ্ত উত্তর দমদম, ত্রাণ পাচারের গাড়ি আটকে চেয়ারম্যানের অফিসে ভাঙচুর, মারধর কাউন্সিলরকে

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


চেয়ারম্যানের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিপুল ত্রাণ সামগ্রী মজুত থাকার অভিযোগ সামনে আসতেই শুক্রবার বিকেলে ব্যপক উত্তেজনা। উত্তর দমদমে বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুর করে পুরসভার চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাসের অফিস। কিছুক্ষণ পরেই কাউন্সিলর শঙ্কর দাসকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এই বিষয়ে আরও খবর

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরহাটিতে চেয়ারম্যানের ‘আল্পনা ফিসারি’ নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি-সহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী রাখা ছিল। সম্প্রতি সেগুলি পুরসভায় সরানোর জন্য চেয়ারম্যান এক্সিকিউটিভ অফিসারকে চিঠি দেন। শুক্রবার সেই সামগ্রী সরাতে দেখেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। অভিযোগ, অফিসে ঢুকে তাঁরা বিপুল ত্রাণ সামগ্রীর পাশাপাশি দামি মদের বোতল, গ্লাস ও কন্ডোম দেখতে পান। এরপরই শুরু হয় ব্যাপক ভাঙচুর। অফিসের আসবাবপত্র তছনছ করা হয় বলে অভিযোগ।

এরপরই উত্তেজনা নতুন মোড় নেয়। বিক্ষোভকারীদের একাংশ ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শঙ্কর দাসের বাড়িতে চড়াও হয়। জমি দখল ও স্থানীয়দের উপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে প্রথমে ভাঙচুর, পরে কাউন্সিলারকে বাইরে টেনে এনে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, ঘটনায় পরিবারের মহিলারাও নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের এক নেতা দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া সামগ্রী সরকারি ত্রাণ নয়। প্রাক্তন বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের উদ্যোগে বিতরণের জন্য আনা সামগ্রী দলীয় কার্যালয়ে জায়গার অভাবে সেখানে রাখা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়াতেই বিজেপি হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপির উত্তর শহরতলি জেলা কমিটির সদস্য নিতাইকুমার শীল বলেন, ঘটনার নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক মদত নেই। ত্রাণ সামগ্রী মজুত থাকার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ফেটে পড়েছে। কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিনের অসন্তোষও ছিল বলে দাবি তাঁর। ঘটনার পর গোটা এলাকায় কড়া পুলিশি নজরদারি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *