ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই তৃণমূলের সাংসদ ভাঙন? জল্পনায় আরও চাপে কালীঘাট!

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই তৃণমূলের সাংসদ ভাঙন? জল্পনায় আরও চাপে কালীঘাট!

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সোমবার, ৮ জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙনের জল্পনা শুরু হয়েছে। ঘটনাচক্রে সেদিনই সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিল্লিতে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। আবার ইন্ডিয়া-র বৈঠকে যোগ দিতে রাজধানীতে থাকবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

এই বিষয়ে আরও খবর

সূত্রের দাবি, অনেক হিসাব করেই এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। শনিবার তৃণমূলের লোকসভার এক সাংসদের সঙ্গে কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে। রবিবার প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা। সব ঠিক থাকলে সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে তাঁদের স্বাক্ষরিত চিঠি জমা পড়তে পারে। তাতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসাবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলেও জল্পনা। যদিও তা উড়িয়েছেন কাকলি নিজে। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “দলের বিরুদ্ধে অসন্তোষ থাকতেই পারে। সেটা আমি প্রকাশ্যেই জানিয়েছি। কিন্তু যে সমস্ত কথা বলা হচ্ছে, সে বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ অন্ধকারে।”

এদিকে, রাজ্যসভাতেও তৃণমূলে ভাঙনের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা। যার কেন্দ্রে সুখেন্দুশেখর রায়ের নাম। এ প্রসঙ্গে সুখেন্দু বলেন, “গঙ্গায় জোয়ার এলে জল এগিয়ে যায়, আবার ভাটায় পিছিয়ে যায়। জোয়ারের জল নেমে গেলে সেখানে কাদামাটি পড়ে থাকে। ভাটার টান কখন আসবে কে বলতে পারে!” ভাটার টানে তাঁর ভূমিকা কী হতে পারে? সুখেন্দুর তাৎপর্যপূর্ণ জবাব, “আমি এখনও সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে মানসিকভাবে আমি দলে নেই, শারীরিকভাবে আছি। আমার সামনে তিনটি পথ খোলা যেভাবে আছি সেভাবেই থাকা, দল ছেড়ে দেওয়া অথবা রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়া। এর মধ্যে যেটা সবচেয়ে ভালো বিকল্প বলে মনে হবে, সঠিক সময়ে সেই সিদ্ধান্তই নেব।”

অন্যদিকে, সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে দলের রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় লিখেছেন, ‘নিজের দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে। আমিও তা করেছি। সেই অবস্থানকে সম্মান জানাতে হলে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকেও সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ, আপনি দলের প্রতীক, নেতৃত্ব ও ব্যানারে ভোটে লড়েছিলেন।’ দলনেত্রীর পাশে থাকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সোশাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, দলের সর্বোচ্চ নেত্রীর নেতৃত্বেই তৃণমূল এগিয়ে চলবে এবং ব্যক্তিস্বার্থে দলবিরোধী অবস্থান নেওয়া নেতাদের মানুষ উপযুক্ত জবাব দেবে। ফলে ৮ জুনের দিল্লি এখন শুধু ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের জন্য নয়, তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও নজরের কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *