ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝেও অক্ষত দুর্গ! রাশিয়ায় নির্বাচনে পুতিন ঝড়ে সাফ বিরোধীরা

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের পর এই প্রথম সংসদীয় নির্বাচন হয়েছে রাশিয়ায়। আর সেই নির্বাচনেই বড় জয় পেল ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড রাশিয়া।  কার্যত গুরুত্বহীন হয়ে পড়ল বিরোধীরা।

রুশ সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৯৫ শতাংশের বেশি ভোট গণনা হয়েছে। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান এলা পামফিলোভা জানিয়েছেন, পুতিন নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড রাশিয়া ৫৭.৮৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কমিউনিস্ট পার্টি। তারা পেয়েছে ১৩.৮১ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, ৮.৯৮ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কট্টর-জাতীয়তাবাদী এলডিপিআর। চতুর্থ স্থানে রয়েছে নিউ পিপল পার্টি। তারা পেয়েছে ৭.৯৬ শতাংশ ভোট। 

আরও পড়ুন:

রাশিয়ার সংসদে মোট আসন সংখ্যা ৪৫০টি। এর মধ্যে ২২৫টি আসন রুশ আইনসভা ডুমারে। বাকি অঞ্চলগুলিতে ছড়িয়ে রয়েছে বাকি ২২৫টি আসন। দেশটিতে বৈধ ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি। গত শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত হয়েছে ভোট। মোট ভোট পড়েছে ৫৬.৬৬ শতাংশ। মূলত ব্যালটে ভোট হলেও বিদেশে বসবাসকারী রুশ নাগরিকরা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভোটদান করেছেন।  

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত এই প্রথম সংসদীয় নির্বাচন ঘিরে কৌতূহল ছিল গোটা বিশ্বের। ক্রেমলিনের কাছে এই নির্বাচন শুধু সাংসদ নির্বাচন নয়, বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার মাধ্যমও ছিল। নির্বাচনের ফল বেরোনোর পর এটা স্পষ্ট যে রাশিয়ার জনগণ পুতিনের সঙ্গেই আছেন। তাঁর নীতিকেই সমর্থন করছেন। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। নির্বাচনে ইউক্রেন যুদ্ধের কোনও ছাপই পড়ল না।

বলে রাখা ভালো, কমিউনিস্ট পার্টি, এলডিপিআর, এ জাস্ট রাশিয়া এবং নিউ পিপল-এর মতো দলগুলিকে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসাবে বিবেচনা করা হয় না। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তারা সরকারের পাশে দাঁড়ায়। এদের মাঝে একমাত্র প্রতিপক্ষ হিসাবে বিবেচনা করা হয় ইয়াবলোকো দলকে, যারা ইউক্রেন যুদ্ধের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছিল। দলটি আলোচনার মাধ্যমের যুদ্ধের অবসানের পক্ষে সওয়াল করে। তবে আগস্ট মাসেই দলটিকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে রুশ সুপ্রিম কোর্ট।

এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো রুশ অধিকৃত ইউক্রেনের অঞ্চলগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া হয়েছে ভোটগ্রহণ। তবে রাশিয়ার এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছিল আন্তর্জাতিক মহল। ইউক্রেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার ভোটকে অবৈধ ঘোষণাও করেছিল। কিন্তু সে সবের পরেও মস্কোয় অক্ষত রইল পুতিন-দুর্গ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *