ভোটগণনার প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। নন্দীগ্রামে অনেকটা এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। তবে ভবানীপুরে পিছিয়ে। সেখানে প্রায় ১৭ হাজার ভোটে এগিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের প্রাথমিক ট্রেন্ড নিয়ে মুখ খুললেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, “তৃণমূল কবরে চলে যাচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও এগিয়ে রয়েছেন। শুধু আর কিছু সময়ের অপেক্ষা।” সোমবার হলদিয়া গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে গণনাকেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে একথা বলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ভোটগণনা কেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।
বলে রাখা ভালো, বিচারপতি থাকাকালীন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজ্যের শাসকদলের বিবাদ ছিল অহরহ। বিশেষত নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর রায় নিয়ে বরাবর আপত্তি তুলেছেন তৃণমূল নেতারা। কখনও কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার সমালোচনা করেন। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এবং তমলুক থেকে প্রার্থী হন। তাঁর বিরুদ্ধে ঘাসফুল শিবিরের যোদ্ধা ছিলেন তরুণ তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। লোকসভা নির্বাচনে বাংলার বিয়াল্লিশ আসনের মধ্যে যে কেন্দ্রগুলির লড়াই বিশেষ নজরে তার মধ্যে অবশ্যই অন্যতম ছিল তমলুক। যদিও ভোটে জিতে যান অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরাজিত হন দেবাংশু। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ফের প্রার্থী দেবাংশু। চুঁচুড়া থেকে লড়ছেন তিনি।
