অভিনেতা থেকে নেতা হয়েই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সি জোসেফ বিজয়। যদিও সরকার গঠনের পর থেকে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। সম্প্রতি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে তথ্যের অধিকার আইনের আওতার বাইরে রাখার নির্দেশিকা জারি করেন বিজয়। এই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার জেরে শেষ পর্যন্ত পিছু হটল টিভিকে সরকার। রবিবার প্রত্যাহার করা হল পূর্ব ঘোষিত ওই নির্দেশিকা।
গত ২১ সেপ্টেম্বর ‘বিতর্কিত’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তামিলনাড়ু সরকার। সেখানে বলা হয়, তথ্যের অধিকার আইনের আওতার বাইরে থাকবে স্বরাষ্ট্র দপ্তর। এর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরটিকে ‘গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা সংস্থা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তামিলনাড়ু জুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। প্রশ্ন তোলে টিভিকে-র জোটসঙ্গী সিপিএম এবং কংগ্রেসও। কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদাম্বরম, সিপিএম সাংসদ এস ভেঙ্কটেশন, ভিসিকে প্রধান টি তিরুমাভালাভনের মতো নেতারা সমালোচনা করেন বিজ্ঞপ্তিটির।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ্যে এসেছিল রবিবার। এরপরই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে একাধিক রাজনৈতিক দল। সবচেয়ে বড় কথা, বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি জোটসঙ্গীরাও নতুন নির্দেশিকার তীব্র বিরোধিতা করে। প্রশ্ন ওঠে, স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মধ্যে রয়েছে পুলিশি কার্যকলাপ, হেফাজতে মৃত্যু, নির্যাতনের অভিযোগ, সাম্প্রদায়িক কোনও অশান্তি, রাজনৈতিক বিক্ষোভ এবং সতর্কতামূলক ভাবে আটক করার মতো বিষয়গুলি। কীভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি তথ্যের অধিকার আইনের বাইরে থাকতে পারে?
আরও পড়ুন:
ঘরে-বাইরে প্রবল সমালোচনার মুখে রবিবার ওই নির্দেশিকা বাতিল করে দিল বিজয়ের সরকার। এরপরেও বিরোধিতা দলগুলি কটাক্ষ করছে বিজয়কে। তাদের বক্তব্য, রাজনীতির অভিজ্ঞতা নেই বলেই একের পর এক হটকারী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে টিভিকে সরকার। সেকথা অবশ্য মানতে রাজি নয় শাসক দল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
