থ্রেট কালচারের মাথা অভীক দে-র বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গিয়ে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, স্বাস্থ্যভবনে যে তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়েছে তার মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের কিছু আধিকারিকের নামও। ২০২৪ সালে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পরেই থ্রেট কালচার নিয়ে শোরগোল ওঠে।
অভিযোগ ওঠে একাধিক মেডিক্যাল কলেজে থ্রেট কালচার চালাচ্ছেন জনাকয়েক চিকিৎসক। তার মধ্যেই একজন ডা. অভীক দের। যিনি সার্ভিস কোটায় অনৈতিকভাবে পিজি হাসপাতালে জেনারেল সার্জারির স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন। রাজ্যে পালাবদলের পরই তা নিয়ে শুরু হয় তদন্ত। সেই তদন্তেই এবার কাঠগড়ায় স্বাস্থ্যদপ্তরের একাধিক আধিকারিক। অভিযোগ, অভীককে নানান সুবিধা পাইয়ে দিত এই আধিকারিকরাই। এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের পদক্ষেপের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
আরও পড়ুন:
রাজ্যে পালাবদলের পরে গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গত ২ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেয়। কমিটির নেতৃত্বে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান। সদস্য আরজি করের অধ্যক্ষ ডা. মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, এসএসকেএমের ফরেন্সিক মেডিসিন বিশেজ্ঞ সোমনাথ দাস এবং বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কৌশিক মিত্র। অভিযোগ, গ্রামীণ ও দুর্গম এলাকায় তিন বছর কাজের শর্ত পূরণ না করেই অভীক সার্ভিস কোটার সুবিধা নিয়েছিলেন। তদন্ত কমিটির মতে, স্বাস্থ্যকর্তাদের প্রত্যক্ষ মদত ছাড়া এই সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রিপোর্টের ফাইল এখনও তাঁর কাছে পৌঁছয়নি। রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপের কথা জানাবেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
