অন্য কাউকে বিয়ে নয়, প্রেমদিবসের আগে পালিয়ে বিয়ে করে আত্মহত্যার চেষ্টা যুগলের! তারপর…

অন্য কাউকে বিয়ে নয়, প্রেমদিবসের আগে পালিয়ে বিয়ে করে আত্মহত্যার চেষ্টা যুগলের! তারপর…

রাজ্য/STATE
Spread the love


প্রেমিকা বয়সে নাবালিকা। প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক। এই প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি ওই কিশোরীর বাড়ির লোকজন। শুধু তাই নয়, মেয়ের বিয়ে অন্যত্র ঠিক করেছিল! বিয়ের আগের রাতে ওই যুগল বিষ খেল! দু’জনকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। শেষপর্যন্ত মারা গেলেন প্রেমিক। এখনও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ওই নাবালিকা! ভালোবাসার সপ্তাহে চাঞ্চল্যকর ওই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃত ওই তরুণের নাম সূর্য গাইন।

আরও পড়ুন:

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ১১ তারিখ রাতে। বাগদা থানার চাঙ্গা চাঁদপুর এলাকায় বাড়ি ওই দু’জনের। পরিচয়ের পর দু’জনের প্রেম হয়। বেশ কয়েক মাস ধরেই ওই সম্পর্ক চলছিল। এদিকে ওই সম্পর্কের কথা নাবালিকার পরিবার মানতে চায়নি। ওই নাবালিকার ১৮ বছর বয়স হতে আর তিনমাস বাকি। সম্পর্ক বিচ্ছেদ ঘটাতে ওই নাবালিকার পরিবার মেয়ের অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেছিল। এদিকে কোনওভাবেই সূর্যকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা কল্পনাও করেনি প্রেমিকা।

বৃহস্পতিবার ওই নাবালিকার বিয়ে। বুধবার রাতে প্রেমিক-প্রেমিকা ফাঁকা মাঠে সকলের অলক্ষ্যে দেখা করেছিলেন! শুধু তাই নয়, প্রেমিকার সিঁথিতে সিঁদুর দেন প্রেমিক! এরপর দু’জনেই বিষ খান বলে অভিযোগ।

১২ তারিখ, বৃহস্পতিবার ওই নাবালিকার বিয়ে। বুধবার রাতে প্রেমিক-প্রেমিকা ফাঁকা মাঠে সকলের অলক্ষ্যে দেখা করেছিলেন! শুধু তাই নয়, প্রেমিকার সিঁথিতে সিঁদুর দেন প্রেমিক! এরপর দু’জনেই বিষপান করেন বলে অভিযোগ। ‘অন্যত্র বিয়ে করব না’ বলে বাড়িতে ফোন করে ওই কিশোরী। বিষ খাওয়ার কথাও বলে। সেই কথা শুনেই ওই কিশোরীর বাড়ির লোকজন ওই মাঠে হাজির হয়। অভিযোগ, ওই যুবককে মারধর করে মাঠেই ফেলে রেখে মেয়েকে নিয়ে চলে যায় পরিবার। ওই নাবালিকাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

খবর মেয়ে ওই তরুণের পরিবার মাঠ থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। নাবালিকা ও প্রেমিককে প্রথমে বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় প্রেমিকাকে কলকাতার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সূর্যকে ভর্তি করানো হয় বারাসতের একটি নার্সিংহোমে। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। যুবকের পরিবারের অভিযোগ, মেয়ের মা-বাবা ও মাসির বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও মারধরের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বাগদা থানায়। ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকাও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

আরও পড়ুন:

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে ওই প্রেমিক যুগল বাড়ি ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে বিয়ে করেছিল। পরে মেয়ের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় দু’জনকে। তবে দু’জনে আড়ালে সম্পর্ক রেখেছিল। ওই নাবালিকার ১৮ বছর পার হয়ে গেলেই সংসার পাতবে। এই সিদ্ধান্ত দু’জনে নিয়েছিল বলে খবর। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *