অন্ধকারে ডুবছে বাংলাদেশ! বিপদে সহায় সেই ভারত, পাইপ লাইনে যাচ্ছে টন টন ডিজেল

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই এবার বাংলাদেশে ডিজেল পাঠাল ভারত। শুধু তাই নয়, পাঠানো হচ্ছে বিদ্যুৎও। গত কয়েকদিন আগে তারেক রহমান সরকারের এক মন্ত্রী বিদ্যুৎ নিয়ে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, কয়েকদিনের মধ্যেই দেশজুড়ে প্রবল বিদ্যুৎ সঙ্কট তৈরি হতে পারে। এহেন বিপদের পরিস্থিতিতে ফের একবার বাংলাদেশের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। বিদ্যুতের পাশাপাশি পাঠানো হল ডিজেল। এর ফলে বিদ্যুৎ পরিষেবা বাংলাদেশে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শেখ হাসিনা থাকাকালীন ২০১৮ সালে দু’দেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারত ১৫ বছরে প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়ে সম্মত হয়।

আরও পড়ুন:

অবশ্য গত কয়েকদিনে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। দীর্ঘ বছর ধরে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ মোট ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমদানি করে। এর মধ্যে এনভিভিএনের মাধ্যমে এনটিপিসি থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন থেকে ৩০০ মেগাওয়াট, ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি কর্পোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট, পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট ও সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়া থেকে আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে। এই পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য এসএনএ চার্জ বিষয়ক চুক্তি হচ্ছে। এর বাইরে আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের গড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে বাংলাদেশের।

এদিকে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বা ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল ডিপোর অপারেশন ম্যানেজার জানিয়েছেন, গত রবিবার ডিজেল হস্তান্তরের এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। মঙ্গলবার বিকালে তা শেষ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শেখ হাসিনা থাকাকালীন ২০১৮ সালে দু’দেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারত ১৫ বছরে প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়ে সম্মত হয়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পাইপলাইনটি উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ এই লাইনের মাধ্যমে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ টন ডিজেল আমদানি করেছে। বিপুল এই জ্বালানি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তিন সংস্থা পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে প্রায় সমপরিমাণে বিতরণ করা হয়। বলে রাখা প্রয়োজন, পাইপলাইনের বাংলাদেশ অংশটি ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *