অনলাইন গেমে বুঁদ সন্তান? জেনে নিন বকাঝকা ছাড়া কীভাবে বদলাবেন অভ্যাস

অনলাইন গেমে বুঁদ সন্তান? জেনে নিন বকাঝকা ছাড়া কীভাবে বদলাবেন অভ্যাস

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


গেমের মারণ নেশায় প্রাণ হারিয়েছে তিন বোন। মৃত্যুমাত্রই নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। তবে মৃত্যুর কারণ অন্যান্য অভিভাবকদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে বেশ কয়েকগুণ। কারণ, বর্তমানে বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরী মোবাইলের নেশায় আসক্ত। হয় রিলস, নয় সোশাল মিডিয়ায় ব্যস্ত তারা। অনেকে আবার গেমের নেশায় বুঁদ। তাই ধীরে ধীরে সন্তানের মোবাইল কিংবা গেম আসক্তি দূর করুন। আধুনিক প্যারেন্টিং বলছে, বকাঝকা নয়। সন্তানকে বুঝিয়ে হবে সমস্যার সমাধান।

আরও পড়ুন:

প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বুঝবেন আপনার সন্তান মোবাইল কিংবা গেমের নেশায় বুঁদ হয়ে গিয়েছে:

  • আচমকা ধরুন আপনার পড়াশোনার অবহেলা করছে। কিংবা ধরুন অবসরযাপনের অভ্যাস বদলেছে, তবে সাবধান হোন।
  • যদি দেখেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল নিয়ে বসে রয়েছে তবে নজর রাখুন সে কী করছে।
  • হঠাৎ সন্তান অন্যমনস্ক হয়ে ওঠার নেপথ্যেও দায়ী অতিরিক্ত মোবাইলের ব্যবহার।
  • মোবাইল কেড়ে নিতে গেলে যদি অত্যন্ত বিরক্ত হয়, তবে সাবধান হওয়ার সময় এসেছে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

সন্তানের মধ্য়ে উপরোক্ত পরিবর্তনগুলি দেখলেই বকাঝকা শুরু করবেন না। তাতে সন্তান জেদি হয়ে যেতে পারে। ডিজিটাল যুগের আধুনিক প্যারেন্টিং কিন্তু বেশ কঠিন। তাই বকাঝকা নয় সমস্যা সামাল দিন সুকৌশলে।

  • সন্তানকে বোঝান যে সবসময় মোবাইল নিয়ে বসে থাকা যাবে না। মোবাইল ব্যবহার তার জীবনে কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে তা বোঝান।
  • প্রয়োজনে মোবাইল ব্যবহারের সময় বেঁধে দিন।
  • আপনিও বাড়িতে যতটা সম্ভব কম মোবাইল ব্যবহারের চেষ্টা করুন।
  • মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত বেঁধে দিন। যেমন – সোশাল মিডিয়া ব্যবহার কিংবা গেম ডাউনলোডের ক্ষেত্রে বড়দের অনুমতি নিতে হবে। না হলে মোবাইল থেকে ডিলিট করে দিন।
  • সকলে মিলে কোনও সিনেমা কিংবা সিরিজ দেখতে পারেন। তবে একা একা সন্তানকে মোবাইলে ডুবে যেতে দেবেন না।
  • অন্য কোনও কাজে সন্তানকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করুন। হতে পারে আঁকা, নাচ, গানের মতো কোনও কাজ। কিংবা তাকে সঙ্গে নিয়ে বসে গল্পের বই পড়তে পারেন। তাতে তার শব্দভাণ্ডার বাড়বে। আবার কল্পনাশক্তিও ডানা মেলে আকাশে ওড়ার সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন:

মোবাইল কিংবা গেমের আসক্তি মোটের কাজের কথা নয়। এই আসক্তি আপনার সন্তানের দূর করতেই হবে। তবে ছোট বলে তার উপর জোর করে চাপিয়ে দেবেন না। অতিরিক্ত শাসন নয়। মনে রাখবেন, আপনার ভালোবাসা, মায়া মমতাই সন্তানের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *