সেনাবাহিনীর অস্ত্র ভাণ্ডারে শোভা পাবে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একে-২০৩ রাইফেল। আমেঠির ইন্দো-রাশিয়ান রাইফেলস প্রাইভেট লিমিটেড (আইআরআরপিএল) তৈরি করেছে এই রাইফেল। অত্যাধুনিক এই বন্দুকের গুলি সরবরাহের দায়িত্ব পেল গৌতম আদানি গ্রুপের সংস্থা আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস। ইন্দো-রাশিয়ান রাইফেলস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি সই করেছে আদানির সংস্থা।
একে-২০৩ হল একে সিরিজের আধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেল। ইন্দো-রাশিয়ান রাইফেলস প্রাইভেট লিমিটেড (আইআরআরপিএল)-কে এই অস্ত্র উৎপাদনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে ভারতের পক্ষে শেয়ারহোল্ডার হিসেবে রয়েছে অ্যাডভান্সড ওয়েপনস অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট ইন্ডিয়া লিমিটেড ও মুনিশনস ইন্ডিয়া লিমিটেড। অন্যদিকে রাশিয়ার তরফে রয়েছে কনসার্ন কালাশনিকভ ও রোসোবোরোনেক্সপোর্ট। উত্তরপ্রদেশের আমেঠি জেলায় তৈরি হবে অত্যাধুনিক এই অস্ত্র। একে-২০৩ রাইফেলের গোলাবারুদ উৎপাদনের দায়িত্ব পেল আদানির সংস্থা।
আরও পড়ুন:
ইন্দো-রাশিয়ান রাইফেলস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি সই করেছে আদানির সংস্থা।
জানা যাচ্ছে, একে-২০৩ রাইফেলের প্রয়োজন মেটাতে আদানি ডিফেন্স ৭.৬২x৩৯ মিমি ছোট অস্ত্রের গোলাবারুদ সরবরাহ করবে। এর ফলে বিদেশ থেকে অস্ত্রের গুলি আমদানির প্রয়োজন পড়বে না। শুধু তাই নয় অনুমান করা হচ্ছে, এই চুক্তির জেরে ভবিষ্যতে গোলাবারুদ প্রয়োজনে আর বিদেশের উপর নির্ভরশীল থাকতে হবে না ভারতকে। আদানি ডিফেন্স ইতিমধ্যেই ভারতে ছোট অস্ত্রের গোলাবারুদ উৎপাদনের কাজ শুরু করছে। কানপুরে সংস্থাটির একটি উৎপাদন কেন্দ্রও রয়েছে।
আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস-এর সিইও আশীষ রাজবংশী বলেন, তাঁদের লক্ষ্য শুধু হার্ডওয়্যার সরবরাহ করা নয়, বরং ভারতে বিভিন্ন ধরনের ছোট অস্ত্রের উৎপাদন পরিকাঠামো তৈরি করা। তিনি আরও বলেন যে, আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস-এর বছরে ১ লক্ষ অস্ত্র উৎপাদন করার সক্ষমতা রয়েছে। রাজবংশী বলেন, এই মাইলফলক ছুঁতে আমাদের ৬ বছর সময় লেগেছে। এখন আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে আমরা যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী সংস্থা থেকে বন্দুক উৎপাদনকারী সংস্থায় (OEM) রূপান্তরিত হয়েছি। হালকা মেশিনগান তৈরির একটি চুক্তি দিয়ে যা শুরু হয়েছিল, তা এখন দেশের অভ্যন্তরে হালকা মেশিনগান, অ্যাসল্ট রাইফেল, পিস্তল, স্নাইপার রাইফেল এবং কারবাইন তৈরিতে সক্ষম একটি সংস্থা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
