রেজিনগরে ফের রবিউলের ওপর ভরসা মমতা শিবিরের! কতটা কঠিন লড়াই? কী বলছে ঋত তৃণমূল?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপর্যয়ের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের রেজিনগর উপনির্বাচনে ফের প্রাক্তন বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরীর ওপরই ভরসা রাখল মমতা-পন্থী ঘাসফুল শিবির। রবিবার সন্ধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। সেখানেই রেজিনগরে প্রার্থী হিসেবে রবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস রবিউল আলম চৌধুরীকে তাঁর নিজের কেন্দ্র রেজিনগর থেকে টিকিট দেয়নি। তাঁকে সরিয়ে বেলডাঙা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল। সেই নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী ভরত কুমার ঝাওয়ারের কাছে পরাজিত হন রবিউল। কিন্তু ছ’মাস ঘুরতে না ঘুরতেই ফের তাঁকেই রেজিনগরে ফিরিয়ে আনল তৃণমূল নেতৃত্ব।

প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার পর রবিউল আলম চৌধুরী বলেন, “আমার দলের এখন কিছুটা খারাপ সময় চলছে। তবে আমরা লড়াই করে বড় হয়েছি। তাই উপনির্বাচনে মাটি ছেড়ে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।”

আরও পড়ুন:

২০২৬-এর নির্বাচনে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর ও নওদা দুটি কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে তিনি রেজিনগর আসন থেকে পদত্যাগ করায় আগামী ৬ অক্টোবর ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। রেজিনগরের রাজনৈতিক ইতিহাসে রবিউল-হুমায়ুন দ্বন্দ্ব বহু পুরনো। ২০১১ সালে হুমায়ুন কবীর প্রথমবার রেজিনগর থেকে কংগ্রেসের প্রতীকে জয়ী হন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধায়ক পদত্যাগ করায় ২০১৩ সালে রেজিনগরে উপনির্বাচন হয়। সেই উপনির্বাচনে হুমায়ুনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। ২০১৬-র বিধানসভায় কংগ্রেসের টিকিটে জিতে কিছুদিনের মধ্যেই তৃণমূলে যোগ দেন রবিউল। ২০২১-এ তৃণমূলের প্রতীকে রেজিনগর থেকেই জয়ী হন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীর ‘স্বচ্ছ ভাবমূর্তি’ এখনও সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়। সেই ভাবমূর্তিকেই কাজে লাগিয়ে এই কঠিন সময়ে কেন্দ্রটি পুনরুদ্ধার করতে চাইছে মমতা-পন্থী তৃণমূল। প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার পর রবিউল আলম চৌধুরী বলেন, “আমার দলের এখন কিছুটা খারাপ সময় চলছে। তবে আমরা লড়াই করে বড় হয়েছি। তাই উপনির্বাচনে মাটি ছেড়ে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।” তৃণমূলের ভরাডুবির পর সমস্ত জেলায় কালীঘাটের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে লড়াই কতটা কঠিন? প্রশ্নের উত্তরে রবিউল বলেন, “কমিটি ভেঙে দিলেও তৃণমূলের লোকেরা এখনও রয়ে গিয়েছে। আজই তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসছি। কীভাবে প্রচার করব, দেওয়াল লিখন করব তা ঠিক হবে।” 

তিনি আরও বলেন, “রেজিনগরে বিজেপিই আমার প্রধান প্রতিপক্ষ। আপ্রাণ চেষ্টা করব জিতে দলের মুখ রক্ষা করতে। যাঁরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মন থেকে ভালোবাসেন, তাঁরা দু’হাত তুলে আমাকেই আশীর্বাদ করবেন।” অন্যদিকে ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূলের বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “আমাদের প্রার্থীর নামও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। রেজিনগরে আমাদের প্রার্থীও থাকবে। কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। দু-একদিনের মধ্যে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করব।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *