রানের নয়, কিং আর প্রিন্সের অন্য ‘যুদ্ধ’ দেখল আহমেদাবাদ, সেখানেও হারলেন গিল

রানের নয়, কিং আর প্রিন্সের অন্য ‘যুদ্ধ’ দেখল আহমেদাবাদ, সেখানেও হারলেন গিল

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


কিং বনাম প্রিন্স। আহমেদাবাদে আইপিএলের মেগা ফাইনালকে এই আয়নায় দেখছিলেন অনেকেই। একদিকে ভারতীয় ক্রিকেটের প্রতিষ্ঠিত রাজা-যিনি কেরিয়ারের সায়াহ্নে এসেও ব্যাট হাতে লাগাতার পারফর্ম করে চলেছেন। আরেক দিকে সেই রাজকুমার-যিনি মাঝে মাঝে শ্রেষ্ঠত্বের ঝলক দেখান বটে, কিন্তু নিজেকে সেরা হিসাবে এখনও প্রতিষ্ঠিত করে উঠতে পারেননি। কথা হচ্ছে বিরাট কোহলি এবং শুভমান গিলের। রবিবাসরীয় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম তাঁদের দ্বৈরথ দেখল বটে, কিন্তু সেটা ব্যাট হাতে নয়।

এই বিষয়ে আরও খবর

গোটা মরশুমে ব্যাট হাতে দলকে টেনেছেন গিল। কিন্তু মরশুমের সবচেয়ে বড় ম্যাচে তিনি ফের ব্যর্থ। মাত্র ১০ রানে ফিরলেন গুজরাট অধিনায়ক। অবশ্য এই প্রথম নয়, আগেও বহুবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন গিল। সেখানে বিরাট বরাবরের বিগ ম্যাচ প্লেয়ার। যে কোনও বড় মঞ্চে জ্বলে ওঠাটাকে অভ্যাসে পরিণত করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিং। রবিবারও ব্যতিক্রম হল না। ১৫৬ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৪২ বলে ৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে গেলেন বিরাট। এদিন ২৫ বলে অর্ধশতরানে পৌঁছন কিং কোহলি। এটি তাঁর আইপিএল কেরিয়ারের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি।

সেদিক থেকে দেখতে গেলে ব্যাট হাতে গিল আর বিরাটের পারফরম্যান্সের কোনও তুলনাই চলে না। তবে গিল আর কোহলির অন্য এক লড়াই দেখেছে আহমেদাবাদে। যা হয়তো না হলেই বেশি শোভনীয় হত। আসলে আরসিবি যখন রান তাড়া করতে গিয়ে ম্যাচ একপ্রকার পকেটে পুরে ফেলেছে, তখন কোহলি কিঞ্চিৎ স্বভাববিরুদ্ধভাবে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ তুলে দেন। সেই ক্যাচ লুফে গিল কোহলি আউট বলে দাবি করে দেন। কিন্তু বিরাট দাবি করেন, গুজরাট অধিনায়ক সঠিকভাবে ওই ক্যাচ নেননি। একটা সময় দেখা যায় মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রীতিমতো মারমুখী মেজাজে বিরাট ও শুভমান। একে ওপরের সঙ্গে তর্কও করেন।

যদিও পরে থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত এলে দেখা যায়, এখানেও জিতেছেন কোহলি। আম্পায়ার জানিয়ে দেন, ক্যাচ বৈধ নয়। গিল ‘মিথ্যা’ দাবি করেছেন। যদিও গুজরাট অধিনায়ক আত্মবিশ্বাসী ছিলেন ক্যাচটি নিয়ে। কিন্তু নিমেষে সেই আত্মবিশ্বাস বদলে যায় হতাশায়। আর কোহলিকে দেখা যায় উচ্ছ্বাস করতে। তবে যেভাবে কিং এবং প্রিন্স এদিন ঝামেলায় জড়ালেন, সেটা ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য ভালো বিজ্ঞাপন নয়। সমর্থকদের আশা, জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে যাওয়ার আগে দু’জনে নিজেদের মধ্যে কথা বলে ঝামেলা মিটিয়ে নেবেন।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *