‘যুদ্ধবিরতি শেষ, আজ রাতেই ভয়ংকর হামলা’, ‘পাগল’ ইরানকে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

‘যুদ্ধবিরতি শেষ, আজ রাতেই ভয়ংকর হামলা’, ‘পাগল’ ইরানকে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

রাজ্য/STATE
Spread the love


যুদ্ধবিরতি শেষ। তেহরানে খামেনেইর অন্ত্যেষ্টির পরেই ফের যুদ্ধের দামামা মধ্যপ্রাচ্যে। মঙ্গলবার থেকে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে হামলা, পালটা হামলা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন— আজ রাতেই ভয়ংকর হামলা হবে। এইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে ইরানের আচরণে বেজায় অসন্তুষ্ট হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে হামলা মেনে নিতে পারেননি ট্রাম্প।

তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটোর সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “গত রাতে আমরা ওদের উপর ভয়ংকর হামলা চালিয়েছে । খুবই ভয়ংকর হামলা ছিল। সম্ভবত আজ রাতেও ফের ভয়ংকর হামলা চালাব। আমি ওদের একটু সতর্ক করে দেব। আজ রাতে ওদের ওপর জোর আঘাত হানব।” ট্রাম্পের দাবি, জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। মার্কন প্রেসিডেন্টের কথায়, “ওরা ভীষণ বাজে আচরণ করেছে।”

আরও পড়ুন:

এদিন ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যেই এই যুদ্ধ হয়েছিল। একাধিক বৈঠকে উভয় পক্ষ এই বিষয়ে আলোচনাও করেছিল। অথচ পরবর্তীকালে সাংবাদিক সম্মেলনে ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি ঘোষণা করে— এমন কোনও আলোচনা কখনওই হয়নি। ট্রাম্প বলেন, “এরা (ইরান) পাগল। এদের মধ্যে কোনও একটা সমস্যা আছে। ৪৭ বছর ধরে এরা মধ্যপ্রাচ্যে দাপট দেখিয়ে এসেছে, কিন্তু এখন সেই দাপুটে অবস্থানে নেই। আমরা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার চাই— ওদের হাতে কোনও পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।”

প্রসঙ্গত, শান্তিচুক্তি ভেঙে হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। সোমবার এবং মঙ্গলবার তিনটি জাহাজে তারা গোলাবর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। এর জেরেই ক্ষুব্ধ আমেরিকা ধারাবাহিক আক্রমণ শুরু করে ইরানে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সিরিক, কেশম, বন্দর আব্বাসের মতো এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন সেনা। ওয়াশিংটনের দাবি, তারা ইরানের প্রায় ৮০টি স্থানে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে তেহরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) দাবি, কুয়েত এবং বাহিরিনে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলিতে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তারা। নিশানা করা হয় মোট ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা। শুধু তাই নয়, প্রত্যাঘাতে আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *