মায়াবী চোখে তাকিয়ে মেলোনি! ছবি শেয়ার করে ট্রাম্প লিখলেন, ‘ওঁকে থামানো প্রয়োজন’

মায়াবী চোখে তাকিয়ে মেলোনি! ছবি শেয়ার করে ট্রাম্প লিখলেন, ‘ওঁকে থামানো প্রয়োজন’

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


ছবি তোলা নিয়ে দ্বন্দ্বের মাঝেই ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির এক ছবি শেয়ার করে বিতর্ক বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেখানে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্পের দিকে মায়াবি চোখে তাকিয়ে রয়েছেন মেলোনি। ভাবখানা এমন যেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি অনুরক্ত ইতালির প্রধানমন্ত্রী। এই ছবি শেয়ার করে ট্রাম্প লিখলেন, ওনাকে থামাতে আইনি নিষেধাজ্ঞা জারির প্রয়োজন। ন্যাটো সম্মেলনের আগে ট্রাম্পের শেয়ার করা এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা।

সম্প্রতি নিজের সোশাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট ট্রুথে একটি এডিট করা ছবি শেয়ার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে মায়াবী হাসি হাসছেন ট্রাম্প। ছবির ক্যাপশনে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ওনার উপর আইনি নিষেধাজ্ঞা চাপানো প্রয়োজন।’ বলার অপেক্ষা রাখে না অতীতের জি-৭ বৈঠকের ছবি বিতর্ক উসকে দিয়েই এই কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প।

আরও পড়ুন:

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে মায়াবী হাসি হাসছেন ট্রাম্প। ছবির ক্যাপশনে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ওনার উপর আইনি নিষেধাজ্ঞা চাপানো প্রয়োজন।’

পাশাপাশি এই ছবি এমন সময় শেয়ার করা হল, যখন ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে এই দুই রাষ্ট্রনেতার মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগে এই ছবি শেয়ার করে ট্রাম্প বোঝাতে চেয়েছেন মেলোনি তাঁর প্রতি আসক্ত। যদিও এই বিষয়ে মেলোনির তরফে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে শুধু মেলোনি নয়, একইসঙ্গে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তাঁর স্ত্রী মিশেল ওবামার একটি বিকৃত ছবিও পোস্ট করেন ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, জি-৭ সম্মেলনে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘাতে জড়িয়েছিলেন ট্রাম্প ও মেলোনি। সম্মেলন শেষ হওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, জি-৭ সম্মেলনের সময় তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পেরে মেলোনি সম্ভবত খুশিই হয়েছিলেন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”উনি সম্ভবত খুশি যে আমি ওঁর সঙ্গে কথা বলেছি। উনি আমাকে ওঁর সঙ্গে ছবি তুলতেও অনুরোধ করেছিলেন। খুবই পীড়াপীড়িও করছিলেন। আমি ছবি তুলতাম না, কিন্তু আমার খারাপ লাগছিল।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যে মেজাজ হারান মেলোনিও। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য পুরোটাই মিথ্যে। আমি সত্যিই বিস্মিত। আমি জানি না কেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন আচরণ করেন মিত্রদের সঙ্গে! তবে এমন ঘটনা যে এই প্রথমবার, তা কিন্তু নয়। যদিও শত্রুদের ক্ষেত্রে তিনি একই রকম দৃঢ়তা দেখান না। বরং অনেক বেশি নমনীয় আচরণ করেন।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *