বেড়াতে গিয়েও গল্পের বইয়ে ডুব, সেই নীপবীথিই আইসিএসই-তে বঙ্গে সম্ভাব্য প্রথম

বেড়াতে গিয়েও গল্পের বইয়ে ডুব, সেই নীপবীথিই আইসিএসই-তে বঙ্গে সম্ভাব্য প্রথম

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


চলতি বছর আইএসসি-তে ১০০ শতাংশ নম্বর পেয়ে দেশের সেরা হয়েছে বঙ্গকন্যা অনুষ্কা ঘোষ। এবার আইসিএসই অর্থাৎ সর্বভারতীয় বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষাতেও মেধাতালিকার শীর্ষস্থানে থেকে চমক দিল বাংলার মেয়ে। বর্ধমানের সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্রী নীপবীথি দত্ত আইসিএসই-তে রাজ্যের সম্ভাব্য প্রথম। পাঁচশোর মধ্যে ৪৯৯ অর্থাৎ ৯৯.৮ শতাংশ নম্বর পেয়েছে সে। এমন ফলাফলে উচ্ছ্বসিত বর্ধমানের ষোড়শী। কোন মন্ত্রের এমন সাফল্য? গল্পের বইয়ে মুখ গুঁজে থাকা নীপবীথি বলছেন, মন্ত্র একটাই – প্র্যাকটিস।

নীপবীথির বাবা অভিজ্ঞান দত্ত বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক, মা মহাশ্বেতা রায় দত্ত বর্ধমান রাজ কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপিকা। এমন মা-বাবার পাণ্ডিত্য মেয়ের পড়াশোনায় অনেকটাই সাহায্য করেছে। তবে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় এহেন সাফল্যের নীপবীথির সবথেকে কাছের মানুষ ঠাকুমা। ছোট থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি গোয়েন্দা গল্প ও বিভিন্ন কাল্পনিক গল্পের বই পড়তে ভালোবাসে সে। গল্পের বই পড়ার প্রতি ভালোবাসা এতটাই যে, অন্যের বাড়ি বেড়াতে গিয়েও গল্পের বইয়ে ডুবে থাকার জন্য মায়ের কাছে বকাও খেতে হয়েছে আইসিএসই-তে বাংলায় প্রথম মেয়ের। এই নিয়ে নানা মজার ঘটনার কথা জানাল সে।

গল্পের মধ্যে ফেলুদার গোয়েন্দা কাহিনি নীপবীথির সবচেয়ে প্রিয়। এছাড়া পড়াশোনার ফাঁকে নাচগান আর আঁকা নিয়েই সময় কাটত এই কৃতী ছাত্রীর। এসবের মাঝেই তার পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছে। কতক্ষণ পড়াশোনা করত সে? নীপবীথি জানায়, একটানা দীর্ঘক্ষণ নয়, সন্ধ্যায় বেশি সময় দিত পড়াশোনায়। আর ছুটির দিনে সকালবেলা টানা বেশ কয়েকঘণ্টা পড়ত। তাতেই এই সাফল্য এসেছে। নীপবীথির মতে, প্র্যাকটিস আর প্র্যাকটিসই একমাত্র ভালো ফলাফলের মূল মন্ত্র। টেক্সট বইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে অন্যান্য বই পড়াও প্রয়োজন, তাহলে প্রশ্নের উত্তর আরও ভালোভাবে লেখা যায়। ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চায় সে।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *