বিএলও হিসেবে কর্মরত শিক্ষকদের উপর এবার আরও এক দায়িত্ব! এবার জনগণনার কাজও করতে শিক্ষকদের। ২০২৭ সালের জনগণনায় গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ করা হবে তাঁদের। ইতিমধ্যে একাধিক জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের এই বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলে খবর। জানানো হয়েছে, তাঁদের অধীনস্থ যেসব শিক্ষক বুথ লেভেল অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন, তাঁদের ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য গণনাকারী হিসেবে চিহ্নিত ও নিযুক্ত করা হচ্ছে।
এই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও ইতিমধ্যে জেলাশাসকদের কাছে নবান্নের তরফে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই জেলায় জেলায় তার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
শুধু তাই নয়, এই সংক্রান্ত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, জনগণনা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনগত এবং জাতীয় কর্মসূচি। তাই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সময় সময় প্রশিক্ষণ, মাঠপর্যায়ের কাজ, তথ্য সংগ্রহ, তদারকি এবং জনগণনা সংক্রান্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালনের জন্য ডাকা হতে পারে। আগস্ট মাস থেকে শুরু হচ্ছে বাংলায় জনগণনার কাজ। এই সংক্রান্ত নির্দেশিকাও ইতিমধ্যে জেলাশাসকদের কাছে নবান্নের তরফে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই জেলায় জেলায় তার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জনগণনার কাজে প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মিত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য শিক্ষা দপ্তরকে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধানদেরও পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাতে শিক্ষকরা কোনও বাধা ছাড়াই জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
বলে রাখা প্রয়োজন, আগামী ১ আগস্ট থেকে রাজ্যে শুরু হবে জনগণনার কাজ। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত থাকছে সেলফ এনুমারেশন ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, আগামী বছর অর্থাৎ, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই কাজ চলবে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবার জনগণনার কাজ সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতি হবে বলে জানা গিয়েছে। এক্ষেত্রে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেজন্য থাকছে হেল্প লাইন নম্বর। একটি হল – ১৮৫৫ এবং অন্যটি ০৩৩-২৩৩৫ ৯৫০৩। ইতিমধ্যে চালু করা হয়েছে একটি ওয়েবসাইট। সেটি হল – www.westbengal.census. gov.in।
জনগণনা নিয়ে অনেকের মনেই অনেক প্রশ্ন, ভয়! যদিও এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছেন, “জনগণনা সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা। বাংলায় শেষ জনগণনা হয়েছে ২০১১ সালে। পূর্বতন সরকার তারপর আর সেন্সাস করেনি। তৎকালীন মুখ্যসচিব সম্মতি দেননি। তবে এখন বাংলার যা পরিস্থিতি, অনুপ্রবেশকারীদের কারণে যেভাবে জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে, তাই জনগণনা জরুরি।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর

