পরোয়া নয় ট্রাম্পকে, শান্তিচুক্তির শর্ত উড়িয়ে হরমুজে ‘টোল’ বসাচ্ছে ইরান! ছাড় নয় ভারতকেও?

পরোয়া নয় ট্রাম্পকে, শান্তিচুক্তির শর্ত উড়িয়ে হরমুজে ‘টোল’ বসাচ্ছে ইরান! ছাড় নয় ভারতকেও?

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরোয়া না করেই হরমুজ প্রণালীতে যাতায়াতকারী জাহাজগুলির থেকে বিশেষ ‘ফি’ নেবে ইরান। শনিবার এমনটাই ঘোষণা করেছেন চিনের ইরানি রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফাজলি। কয়েকমাস আগেও হরমুজে চলাচলকারী জাহাজগুলি থেকে তেহরান ‘তোলা’ তুলছিল বলে দাবি করা হয়েছিল একাধিক প্রতিবেদনে। কিন্তু এবার সেই নয়া হারে ‘ফি’ নেওয়া হবে ঘোষণা করেছেন ইরানি রাষ্ট্রদূত। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন ইরানের ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যে মউ স্বাক্ষর হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল আগামী ৬০ দিন হরমুজে সমস্ত বাণিজ্যতরী নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে। তাদের থেকে কোনও ‘ফি’ আদায় করবে না তেহরান। কিন্তু শনিবার ফাজলির ঘোষণার পরই জল্পনা তৈরি হয়েছে। কবে থেকে ইরান জাহাজগুলি থেকে এই ‘ফি’ আদায় করবে, তা তিনি স্পষ্ট করেননি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, গোটা বিষয়টিকে ফের আমেরিকার সঙ্গে ফের সংঘাতে জড়াতে পারে ইরান। কারণ, প্রথম থেকেই হরমুজে ‘টোল’ বসানোর ঘোর বিরোধী ওয়াশিংটন। এই নিয়ে আগে তেহরানকে একাধিকবার হুমকিও দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন:

শনিবার বেজিংয়ে একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের জন্য নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় তেহরান। এর জন্য আমরা ওমানের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা ও যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাজ করছি। যেহেতু হরমুজ আমাদের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্ভুক্ত, তাই আমরা অবশ্যই সেখানে চলাচলকারী জাহাজগুলি থেকে ফি আদায় করব।” তিনি আরও বলেন, “এই নতুন ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হবে হরমুজে সমস্ত জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জাহাজগুলির উপর নজরদারি চালানো। শুধু তাই নয়, এই জলপথে বিপুল সংখ্যক জাহাজ যাতায়াতের কারণে পরিবেশের উপরও প্রভাব পড়ে। তার মোকাবিলা করাও আমাদের লক্ষ্য।”

তবে ফাজলি স্পষ্ট করেছেন, ইরানের ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হতে পারে। তিনি বলেন, “যেসব দেশ আমাদের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছে এবং বিশেষ করে কঠিন সময়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।” কিন্তু ‘বন্ধু’র তালিকায় কোন কোন দেশ রয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু উল্লেখ করেননি। এদিকে ভারতের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক। তেহরানও একাধিকবার তা স্বীকার করেছে। সেক্ষেত্রে ভারতকে কি ছাড় দেওয়া হবে? সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *