দশমীর সন্ধ্যায় নিউটাউনের ঝুলন্ত রেস্তরাঁয় আগুন! যা নিয়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। একেবারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। এদিকে ঘটনার সময় ওই রেস্তরাঁয় অন্তত ৫০ জন ছিলেন বলে জানা যায়। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে দমকল এবং পুলিশের আধিকারিকরা। ফলে বড়সড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। কিন্তু কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ড তা স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে। যদিও তা নিশ্চিত হতে শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত। শুধু তাই নয়, সিকিউরিটি অডিটের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার রাঠোর অমিত কুমার ভারত জানান, “সাড়ে ৬টা নাগাদ এই আগুন লাগে। দমকল এবং পুলিশ খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”
আরও পড়ুন:
মমতা সরকারের আমলে নিউটাউন-রাজারহাট তৈরি হয় বিশ্ব বাংলা গেট। সেখানেই ঝুলন্ত ওই রেস্তরাঁ। পুজোর কটা দিন ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এমনকী আজ, বুধবারও সকাল থেকে রেস্তরাঁয় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এরমধ্যেই হঠাৎ করে রেস্তরাঁর নিচের দিকে আগুন বেরতে দেখা যায়। মুহূর্তে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। ঘটনার সময় ঝুলন্ত ওই রেস্তোরাঁয় কর্মী-সহ প্রায় ৫০ জন ছিলেন বলে জানা যায়। রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার খবর পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ২টি ইঞ্জিন। নিরাপদে সবাইকে দ্রুত নিচে নামিয়ে আনা হয়। নিয়ন্ত্রণে আনা হয় আগুনও।

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার রাঠোর অমিত কুমার ভারত জানান, “সাড়ে ৬টা নাগাদ এই আগুন লাগে। দমকল এবং পুলিশ খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।” তবে এই ঘটনার পরেই সিকিউরিটি অডিটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পুলিশ কর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে পুরো বিষয়টির একটি সিকিউরিটি অডিট করা হয়। এদিকে ঘটনায় বেশ কিছুক্ষণ থমকে যায় ওই এলাকার যান চলাচল। ফলে তীব্র যানজট তৈরি হয়। যদিও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলেই জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
