তরুণীকে খুনে বাবা-দাদাকে গ্রেপ্তার পুলিশের, মাস খানেক পর থানায় হাজির ‘মৃতা’!

তরুণীকে খুনে বাবা-দাদাকে গ্রেপ্তার পুলিশের, মাস খানেক পর থানায় হাজির ‘মৃতা’!

রাজ্য/STATE
Spread the love


পুলিশ জানিয়েছিল ২৬ বছরের তরুণী খুন হয়েছেন। সেই দোষে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাঁর বাবা ও দাদাকে। বর্তমানে সেই মামলায় জেল খাটছেন দু’জনেই। যদিও যাঁকে খুনের দায়ে জেলবন্দি তাঁরা, সেই তরুণী মাস খানেক বাদে  থানায় হাজির হলেন। এই ঘটনায় একযোগে মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশ পুলিশের ‘অপদার্থতা’ সামনে চলে এসেছে। প্রশ্ন উঠছে, এমন ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে?

এই ঘটনা মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুর জেলার খাকনার অঞ্চলের। গত এপ্রিল মাসে নিখোঁজ হন শিবানী কালমেকর। তাঁর সঙ্গী ছিলেন অরুণ দাদু নামে তরুণ। খাড়কি গ্রামের বাসিন্দা দুই পরিবার আলাদা আলাদাভাবে নিখোঁজ ডায়েরি করে। সেই নিখোঁজ তদন্ত করতে গিয়েই ঘোঁট পাকাল পুলিশ। মে মাসের শুরুতে মহারাষ্ট্র পুলিশের এলাকা রাজুরা বাঁধ থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়। আইনরক্ষকরা দাবি করেন, ওই মুণ্ডহীন দেহ শিবানীর।

আরও পড়ুন:

দেহ উদ্ধারের পরে পুলিশের তরফে দাবি করা হয়, শিবানীকে খুন করেছে তাঁরা বাবা ৫৫ বছরের বাপুরাম কলমেকর এবং দাদা ২৭ বছরের অজয় কালমেকর। তাঁদের গ্রেপ্তার করে খুনের মামলা রুজু করা হয়। দু’জনেই বর্তমানে জেলবন্দি। এর কিছুদিন পর জীবিত শিবানীর খোঁজ পায় মহারাষ্ট্র পুলিশ। জলগাঁও জামোদ থানায় বৃহস্পতিবার ‘মৃত’ তরুণী তাঁর জবানবন্দি দিতে আসেন। এক পুলিশকর্তা জানান, তদন্ত সূত্রে জানা যায় যে নাসিকের কাছে মজদুরের কাজ নিয়েছেন অরুণ। তাঁর সঙ্গেই থাকছিলেন শিবানী। পুলিশকে জবানবন্দি দিতে এসে তরুণী বলেন, “আমি বেঁচে আছি। আমার সঙ্গে খারাপ কিছু হয়নি। আমার বাবা আর ভাইকে ছেড়ে দেওয়া হোক।”

আরও পড়ুন:

এই ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মুন্ডুহীন, গলা-পচা একটি দেহকে শিবানীর দেহ হিসাবে ধরে নেওয়া হল, ডিএনএ টেস্ট ছাড়াই। এমনকী নির্দোষ দুই ব্যক্তির উপর খুনের চাপিয়ে গ্রেপ্তারও করা হল। এই হেনস্তার দায় নিতে হবে তদন্তকারী পুলিশকর্মীদের। এমন ঘটনায় মুখ পুড়েছে মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশ দুই রাজ্যের পুলিশেরই।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *