ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে উত্তর ২৪ পরগনায় একদিকে জনসংযোগ বাড়ানোর কর্মসূচি, অন্যদিকে প্রশাসনিক কড়াকড়ি— দুই দিকেই জোর দিল শাসক শিবির। মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর জেলা পরিষদে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তৎপরতা বাড়ছে বলেই বৈঠক সূত্রে খবর। পাশাপাশি জেলায় লোটো খেলা ও জুয়ার আড্ডা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকের পর জেলা পরিষদে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তৎপরতা বাড়ছে বলেই বৈঠক সূত্রে খবর। পাশাপাশি জেলায় লোটো খেলা ও জুয়ার আড্ডা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও মঙ্গলবারের প্রশাসনিক বৈঠকে জেলার শিল্প পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কীভাবে নতুন শিল্প আনা যায় এবং বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করা যায়, তা নিয়ে প্রশাসনকে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাটের অভাবে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের চটকল শিল্পে তৈরি হওয়া সঙ্কট কাটাতে বাংলাদেশ ল্যান্ড পোর্ট চালু করে পাট আমদানির বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে স্পষ্টভাবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিচুতলা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়। সেই লক্ষ্যেই ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন জেলার বিভিন্ন ব্লক, পুরসভা ও কর্পোরেশন এলাকায় জনকল্যাণ শিবির করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বিডিও, পুরসভার সিও এবং কর্পোরেশন কমিশনারদের নেতৃত্বে ওই শিবিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা ও তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। স্থানীয় বিধায়ক ও সাংসদদেরও সেখানে রাখা হচ্ছে। এর আগে ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জেলার সর্বত্র ‘মায়ের নামে একটি গাছ’ কর্মসূচি নেওয়া হবে। অরণ্য ও পরিবেশ দপ্তরের মাধ্যমে ফলের গাছ বিলি ও রোপণের পরিকল্পনা হয়েছে। ২১ জুন বিশ্ব যোগা দিবসেও আয়ুষ, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বড় আকারে কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ, স্কুল, এনসিসি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সেখানে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
