‘গভীর রাতে স্বামী আর ছেলের ফারাকই বুঝতে পারি না’, মারাত্মক বিড়ম্বনায় ফারহা

‘গভীর রাতে স্বামী আর ছেলের ফারাকই বুঝতে পারি না’, মারাত্মক বিড়ম্বনায় ফারহা

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


চেহারার এমন আমূল পরিবর্তন যে স্বামী আর ছেলের মধ্যে পার্থক্যই করতে পারছেন না ফারহা খান! শুনতে অবাক লাগলেও এটাই কিন্তু, ঘোর বাস্তব। আর সেকথা নিজের মুখে স্বীকার করেছেন পরিচালক-কোরিওগ্রাফার ফারহা খান। স্বামী শিরিশ কুন্দরের চমকপ্রদ শারীরিক পরিবর্তনে নিজেই তাজ্জব বনে গিয়েছেন ফারহা। এই পরিবর্তনের পর শিরীষ সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করছেন। যা দাবানলের গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। স্বামীর জনপ্রিয়তায় অবশ্যই খুশি অর্ধাঙ্গিনী। কিন্তু, সেই সঙ্গে প্রচণ্ড বিড়ম্বনারও শিকার হচ্ছেন। তাঁর পক্ষে অনেকসময়ই স্বামী আর ছেলের মধ্যে তফাৎটা বুঝে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না।

শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে এসে আর কী বোমা ফাটালেন ফারহা খান? বছর ৫৩-এর শিরীষ কুন্দের এখন যেন একেবারে তরুণ তুর্কি! ফারহা আর শিরীষের একমাত্র ছেলে সিজার কুন্দরের বর্তমান বয়স ১৮ বছর। চেহারার ভোলবদলে শিরীষ যেন সিজারের মতোই উঠতি যুবক! ‘সুদর্শন’ স্বামী প্রসঙ্গে ফারহা মজা করে বলেন, “শিরীষ এখন একদম তরুণ আর সুদর্শন হয়ে গিয়েছে। ছেলে আর শিরীষের উচ্চতা প্রায় একই। রাতে যখন আমি ঘুমাই বা বেডরুমে আচমকা কেউ প্রবেশ করে আমি বুঝতেই পারি না সিজার এসেছে, নাকি শিরীষ। তবে যখন শিরীষ জড়িয়ে ধরে তখন বুঝতে পারি যে ও আমার ছেলে।”

আরও পড়ুন:

ফারহা খান

এরপর ফারহার কছে শেখর দাম্পত্যের সিক্রেট নিয়ে একটি প্রশ্ন করেন। পরিচালক- কোরিওগ্রাফারকে জিজ্ঞাসা করেন, দীর্ঘ দাম্পত্যে ভালোবাসা আগের মতোই থাকে নাকি সময়ের সঙ্গে বদলে যায়? ফারহার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি, “এটা প্রায় সকলের ক্ষেত্রেই কম-বেশি প্রযোজ্য। প্রেম করার সময় আমাদের চাহিদা মিটে গেলেই তার মূল্য আর আগের মতো থাকে না। তবে তার মানে এটা নয় যে ভালোবাসা ফুরিয়ে যায়। বরং তখন সেই সম্পর্কের মূল্যবোধ আরও গভীর হয়। সম্পর্ক আরও পরিণত হয়।” এরপর ফারাহ জানান, বর্তমানে শিরীষের প্রতি একটা অন্য দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে। আর সেটা হল একজন দায়িত্বশীল বাবা এবং পরিবারের শিরদাঁড়া।

ফারহা খানের স্বামী ও তিন সন্তান

তাঁর কথায়, “এখন আমি শিরীষকে একজন অসাধারণ বাবা এবং পরিবারের ভালোমন্দ যাচাই করা মানুষ হিসেবে বেশি গুরুত্ব দিই। ওকে ছাড়া আমাদের সংসার অচল।” হাস্যরসের সঙ্গেই তিনি আরও যোগ করেন,”আমি ওকে মাঝেমধ্যেই বলি, তুমি যদি বাচ্চাদের নিয়ে কোথাও চলে যাও, তাহলে আমার ওয়াই-ফাই ঠিক করবে কে? শিরীষ ছাড়া আমাদের বাড়ি সত্যিই প্রাণহীন।” তিন সন্তানের পড়াশোনার কৃতিত্বও পুরোপুরি শিরীষকেই দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *