‘খুব ভালো খেলেছে রেফারি’, ছেলে ছিটকে যেতেই তুলোধোনা হালান্ডের বাবার, প্রশ্নে জোড়া সিদ্ধান্ত

‘খুব ভালো খেলেছে রেফারি’, ছেলে ছিটকে যেতেই তুলোধোনা হালান্ডের বাবার, প্রশ্নে জোড়া সিদ্ধান্ত

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত রেফারিং নিয়ে যা যা বিতর্ক হয়েছে, সেগুলির কেন্দ্রবিন্দুতে মূলত ছিল আর্জেন্টিনা। এবার সেটা কিছুটা ঘুরে গেল ইংল্যান্ডের দিকে। নরওয়ের বিরুদ্ধে ইংরেজদের জয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলের দলের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের বাবা আলফ ইঙ্গে হালান্ড। ম্যাচ শেষে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে তিনি বললেন, “বেলিংহ্যাম ভালো খেলেছে, রেফারিও খুব ভালো খেলেছে।”

FIFA World Cup 2026: Erling Haaland's father blasts referee after Norway vs England Match
হালান্ডের বাবার পোস্ট।

আরও পড়ুন:

শনিবার রাতে পিছিয়ে পড়েও নরওয়ের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে শেলডেরুপের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। যদিও প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময়ে অনবদ্য গোলে সমতা ফেরান ইংল্যান্ডের মহাতারকা জুড বেলিংহ্যাম। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই হয় সমানে সমানে। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ইংল্যান্ডের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিল নরওয়ে। কিন্তু হেগেমের ওই গোলটি ফাউলের জন্য বাতিল করা হয়। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের ৩ মিনিটের মাথায় ফের গোল করেন সেই বেলিংহ্যামই। শেষমেশ ২-১ গোলে ম্যাজ জেতে ইংল্যান্ড।

ম্যাচ শেষে হালান্ডের বাবা আলফ ইঙ্গে হালান্ড ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল করা বেলিংহ্যামের প্রশংসা করলেন বটে। কিন্তু খোঁচা দিলেন রেফারিং নিয়ে। মূলত দুটি জায়গায় আপত্তি নরওয়ের। হালান্ডদের দাবি, বেলিংহ্যামের প্রথম গোলের আগে নরওয়ে গোলরক্ষক গোল কিক নিয়েছিলেন। সেই বলটি মাঠের ওভারহেড ক্যামেরার তার ছুঁয়ে মাঠে পড়ে। যার জেরে বলের দখল গিয়েছিল ইংল্যান্ডের দখলে। যদিও রেফারি সেই দাবিতে কর্ণপাত করেননি। পরে ফিফাও জানিয়ে দেয়, বলের ভিতরে থাকা সেন্সরে তার স্পর্শ করার কোনও প্রমাণ মেলেনি। নরওয়ের দ্বিতীয় আপত্তির জায়গা হল বাতিল গোল। হেগেমের ওই গোল বাতিলের সময় যুক্তি দেখানো হয়, গোলের আগে হালান্ড নাকি ইংরেজ ডিফেন্ডার অ্যান্ডারসনকে ফাউল করেছেন। নরওয়ের দাবি ওটা কোনওভাবেই ফাউল ছিল না।

অবশ্য রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তোলার জায়গা ইংল্যান্ডেরও আছে। ইংরেজ শিবির বলছে, নরওয়ের একমাত্র গোলটির আগে হ্যারি কেনকে ফাউল করা হয়েছিল। কিন্তু VAR সেটা লক্ষ্য করেননি। আবার ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ইংল্যান্ডকে একটি পেনাল্টি দিয়েও সেটি প্রত্যাহার করে নেয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। সব মিলিয়ে সার্বিকভাবেই রেফারিং বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ফিফার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *