এসআইআর আতঙ্ক! বাংলাদেশে থেকে এসে ‘ভুয়ো বাবা’র নামে ভোটার কার্ড, তুঙ্গে শোরগোল – Uttarbanga Sambad

এসআইআর আতঙ্ক! বাংলাদেশে থেকে এসে ‘ভুয়ো বাবা’র নামে ভোটার কার্ড, তুঙ্গে শোরগোল – Uttarbanga Sambad

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


ফাঁসিদেওয়া : এসআইআর নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই অন্যকে বাবাকে দেখিয়ে ভোটার কার্ডে নাম তোলার অভিযোগ উঠল শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের লিম্বুটারি এলাকায়। অভিযোগ, হরেন রায় নামে এক ব্যক্তি প্রায় বছর ২০ আগে বাংলাদেশ থেকে এসে স্থানীয় ডিকারু রায়কে বাবা দেখিয়ে এদেশে বসবাস শুরু করেছেন। এসআইআর-এর কাজ শুরু হতেই বিডিও অফিসে গিয়ে ডিকারু রায় এবং তাঁর ছেলে বিশু রায় হরেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন। তবে, এখনও কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে গোটা পরিবার। তবে তিনি যে বাংলাদেশি, তা মেনে নিয়েছেন হরেন।

ডিকারু রায় বলছেন, ‘আমার নাম ব্যবহার করে ভোটার কার্ড বানিয়েছেন হরেন। আমি চাই তাঁর নাম কাটা হোক।’ একই সুর তাঁর ছেলে বিশু রায়ের গলাতেও। তাঁর কথায়, ‘আমরা দুই ভাই, এক বোন। কাস্ট সার্টিফিকেট বানানোর নাম করে নথি নিয়ে হরেন আমার বাবার নাম ব্যবহার করেন, ভোটার কার্ডও বানিয়েছেন। আমাদের আর কোনও ওয়ারিশ নেই। আমরা চাই, তাঁর নাম কাটা হোক। আমি এবং বাবা দুজনেই বিডিওকে লিখিত অভিযোগ করেছি।

কিন্তু এত বছর পর কেন অভিযোগ জানালেন?

এসআইআর হওয়ার পর যদি হরেন পাকাপাকিভাবে এদেশে থাকার সুযোগ পেয়ে তাঁকে বাবা দেখানোর সুবাদে সম্পত্তির ভাগ চান, সেই আতঙ্কে ভুগছেন ডিকারু। যদিও ডিকারুর জমির ভাগ চান না বলে সাফ জানাচ্ছেন হরেন। তাঁর কথা, ‘আমি বাংলাদেশে ধর্মীয় উৎপীড়নের শিকার হয়ে এদেশে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম।’

এখন তিনি থাকছেন পালপাড়ায় ডিকারুর বাড়ির কয়েকটি বাড়ি আগে। তবে, তিনি যে এদেশে এসে ২০ বছর আগে বসবাস শুরু করেন, তা স্বীকার করে নিয়েছেন। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ডিকারু বিডিও-র কাছে অভিযোগ করেছিলেন। চলতি মাসের ২ তারিখ অভিযোগ করেন ডিকারুর ছেলে বিশু।

আরও পড়ুন : রাঙ্গাপানি থেকে অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু: এনজেপি-নাগেরকল রুটে নয়া দিগন্ত

অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মৃত্যুঞ্জয় রায় বলেন, ‘আমার এ বিষয়ে কিছু বলার নেই। বিডিও বলতে পারবেন।’ অন্যদিকে ফাঁসিদেওয়ার বিডিও বনানী মজুমদারকে ফোন করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। হোয়াটসঅ্যাপে এসএমএস করা হলে, তিনি সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে সেই এসএমএস সিন করেন। তবে, কোনও উত্তর না দেওয়ায়, তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *