একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শহরে ‘কালীঘাট পন্থী’ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে অনুপস্থিত জেলার তিন শীর্ষনেতা। আসেননি জেলা তৃণমূল সভাপতি নরেন চক্রবর্তী, বিধান উপাধ্যায় ও অভিজিৎ ঘটক। সূত্র মারফত খবর, তাঁরা অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নিশানা করে তিনি জানান, “এতে দলের কোনও আসে-যায় না। তাঁদের রাজনৈতিক গুরুত্ব শেষ।”
শনিবার আসানসোলের দলীয় কার্যালয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী মলয় ঘটক, হরেরাম সিং ও তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ছিলেন না জেলাস্তরের তিন শীর্ষনেতা। তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় জেলার রাজনৈতিক মহলে। বিশেষ করে কালীঘাট তৃণমূলের অন্দরে। বৈঠক শেষে ওই নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া নেতাদের প্রসঙ্গে কল্যাণ বলেন, “তৃণমূল থেকে যাওয়া নেতাদের দলে টেনে বিজেপি এখন তাঁদের ‘ধোয়া তুলসী পাতা’ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে।” এই সিদ্ধান্ত বিজেপির আদি কর্মীদের পরিশ্রমকেই বিফল করবে বলে মত কল্যাণের।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যওপাধ্যায়ের প্রিয় কেষ্টও। ঋতব্রত শিবিরের অনুব্রতর এই পদপ্রাপ্তি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন কালীঘাট তৃণমূলের অন্যতম সদস্য সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন আসানসোলে দাঁড়িয়ে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ বলেন, “আমরা খুব হ্যাপি। আমি খুব হ্যাপি যে অনুব্রতকে নিয়েছে। আই অ্যাম ভেরি হ্যাপি যে অনুব্রত মণ্ডলকে অন্তত শুভেন্দু অধিকারী নিয়ে বলছে, এ হচ্ছে ধোয়া তুলসী পাতা।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
