ওড়িশায় ইসকনের রথযাত্রা উদযাপনের সময় নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। ওড়িশার রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন কলিঙ্গ সেনার অভিযোগ, ইসকন পুরীর শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মীয় রীতি না মেনে নির্ধারিত সময়ের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় রথযাত্রার আয়োজন করছে। এতে জগন্নাথদেবের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। শুধু তাই নয়, ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভও শুরু করেছে কলিঙ্গ সেনা।
এই ইস্যুতে কলিঙ্গ সেনার সভাপতি হেমন্ত রথ বলেন, “যদি ইসকন এই অসময়ের রথযাত্রা বন্ধ না করে, জগন্নাথদেবের সংস্কৃতিকে সম্মান না করে, তবে ওড়িশায় তাদের থাকার কোনও অধিকার নেই। তারা গজপতি মহারাজা দিব্যসিংহ দেবকে অপমান করেছে- যিনি ভগবান জগন্নাথের প্রধান সেবক হিসেবে বিবেচিত হন।” তিনি আরও বলেন, “পুরী এবং ভুবনেশ্বরে রথযাত্রার সময় ইসকনের কোনও সদস্যকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আমাদের সংগঠনের কর্মীরা তা নিশ্চিত করবেন।” হেমন্তের দাবি, বারবার আবেদন সত্ত্বেও ইসকন জগন্নাথদেবের রথযাত্রার নির্ধারিত সময়সূচী মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে।” তাঁর বক্তব্য, যদি ইসকন জগন্নাথদেবের সংস্কৃতিকে সম্মান না করে, তাহলে আমরা পুরীতে কেন তাদের সম্মান করব? পুরীতে তাদের কোনও কাজ নেই।”
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিক ভাবে কাম্য।]
সর্বশেষ খবর
