“ওরে নবমী নিশি না হইও রে অবসান”! এরই মাঝেই কলকাতার চোরবাগানের মতো মর্মান্তিক অশুভ শক্তি বিনাশে রাবণ দহনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে পুরুলিয়ার সৈনিক স্কুলে। বুধবার বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় রাবণ দহন করে অশুভ শক্তির বিনাশের বার্তা দেবে পুরুলিয়ার সেনা স্কুল। প্রায় ৩০ ফুটের রাবণ দহনে চোরবাগানের ঘটনায় মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা এবং অশুভ শক্তির বিনাশে মায়ের কাছে প্রার্থনা জানাবেন সৈনিক স্কুলের ক্যাডেটরা।
আট বছর পর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবার আবার মায়ের ঢাক বাজে। তাই আনন্দের শেষ ছিল না। কিন্তু প্রথম সপ্তমীতে চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার পর তার রেশ পড়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুজোতেও। আর তাই রাবণের কুশপুতুল পুড়িয়ে এমন অশুভ ঘটনা আর যাতে না ঘটে সেই প্রার্থনা রাজ্যের একমাত্র সৈনিক স্কুলের। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নারী শক্তির আয়োজনেই ৮ বছর পর আবার এখানে মা আসেন।
আরও পড়ুন:

পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন রজনীশ কুমারের স্ত্রী তথা অবসরপ্রাপ্ত স্কোয়াডেন লিডার বিদুলা বলেন, “কোনও কারণে আমাদের এই স্কুলে দুর্গাপুজোর আরাধনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমি আসার পর এখানকার সকল মহিলা বিষয়টি জানায়। তারপরেই আমরা সিদ্ধান্ত নিই আবার মাকে এখানে নিয়ে আসব। তাই যে খালি মন্দির ছিল সেখানে দুর্গা মায়ের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করি। তারপর এই শরতে মা এলেন। ” সেই ষষ্ঠী থেকেই জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ এখানকার ক্যাডেটরা দেবীর আরাধনায় মেতে ওঠেন। ছৌ নাচের মহিষাসুরমর্দিনী পালা। সেই সঙ্গে নানান খেলার প্রতিযোগিতা। আর তার সঙ্গেই কাল দশমীতে রাবণ দহনের মেগা ইভেন্ট। ৩০ ফুটের ওই রাবণ কাল সকাল থেকেই খাড়া হয়ে যাবে। আর বাজির দহনে পুড়ে ছারখার হতেই চোরবাগানের মর্মান্তিকভাবে মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা কবে এই সেনা গড়ার স্কুলের ক্যাডেটরা।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
