উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: গায়ক জুবিন গর্গের (Zubeen Garg) মৃত্যুতে গ্রেপ্তার হওয়া ৫ অভিযুক্তকে জেলে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশি কনভয়ে হামলা ক্ষিপ্ত জনতার (Violent protests)। বুধবার দুপুরে এই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় অসমের বকসা জেলায় (Baksa)। বিক্ষোভকারী জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ (Tear gasoline shells)। হামলার জেরে পুলিশের গাড়ি সহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, এদিন অভিযুক্তদের নিয়ে পুলিশের গাড়ি জেলের সামনে পৌঁছতেই জুবিনের মৃত্যুর ন্যায়বিচার দাবিতে প্রচুর জনতা ভিড় জমান। এরপরই কনভয় লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে ক্ষিপ্ত জনতা। সেই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বলতে শোনা যায়, ‘অভিযুক্তদের ভিতরে রাখা যাবে না। ওদের আমাদের হাতে তুলে দিন।’ বকসা জেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি পুলিশের গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। হামলার জেরে সাধারণ মানুষ থেকে সাংবাদিকরাও আহত হয়েছেন বলেও দাবি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে গুলি চালানোর পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। এদিনের ঘটনার পরই জেল চত্বর ও আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তেজনা বজায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভালে যোগ দিতে গিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর আকস্মিক মৃত্যু হয় গায়ক জুবিন গর্গের। কীভাবে গায়কের মৃত্যু হল, তা নিয়ে প্রথম থেকেই ধোঁয়াশা থেকে গিয়েছে। স্বামীর মৃত্যুতে ন্যায়বিচারের দাবি করেছেন স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া গর্গও। ষড়যন্ত্রের সন্দেহে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নির্দেশে গায়কের মৃত্যুর তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তারির সংখ্যা পাঁচ। এদের মধ্যে রয়েছে নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভালের আয়োজক শ্যামকানু মহন্ত, সংগীতশিল্পী অমৃতপ্রভা মহন্ত, ব্যান্ডের সদস্য শেখর জ্যোতি গোস্বামী, জুবিনের আপ্তসহায়ক সিদ্ধার্থ শর্মা, এমনকি গায়কের তুতো ভাই তথা পুলিশ আধিকারিক সন্দীপন গর্গও।
